ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান

নেতানিয়াহু: ইসরায়েলের আঙুল বন্দুকের ট্রিগারেই আছে


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ২:৩৩ পিএম

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জাতির উদ্দেশ্যে টেলিভিশনে এক ভাষণ দিয়েছেন। ভাষণে তিনি জানিয়েছেন যে, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির ব্যাপারে ইসরায়েল সম্পূর্ণভাবে অবগত ছিল। তবে তিনি একই সঙ্গে ইরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তার ভাষায়, “ইসরায়েলের আঙুল বন্দুকের ট্রিগারেই রয়েছে এবং যে কোনো মুহূর্তে যুদ্ধের জন্য আমরা প্রস্তুত।”

বুধবার রাত (৮ এপ্রিল) তার ওই ভাষণটি টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু বলেন, এখন পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইসরায়েল অনেক লক্ষ্য অর্জন করেছে, তবে আরও কিছু উদ্দেশ্য পূরণ বাকি রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই বাকি লক্ষ্যগুলো বা চূড়ান্ত উদ্দেশ্য অর্জিত হবে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার চুক্তির মাধ্যমে, নাহলে ইসরায়েল আবার সামরিক অভিযান শুরু করবে।

নেতানিয়াহু আরও বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শিল্প ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়েছে। তিনি জানান, তেহরানের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তার ভাষায়, “আমরা যে কোনো পরিস্থিতিতে প্রস্তুত এবং আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করব না।”

প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ইরানের প্রতি কোনো রকম অবহেলা বা ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপকে তারা উপেক্ষা করবে না। তিনি এও উল্লেখ করেন, ইসরায়েল শুধু প্রতিরক্ষা নয়, আক্রমণাত্মক প্রতিরোধেও সক্ষম। তার ভাষায়, “আমাদের সেনারা যে অবস্থানে আছে, তা যেকোনো মুহূর্তে তেহরান বা অন্য কোনো হুমকিকে মোকাবিলা করার জন্য যথেষ্ট।”

নেতানিয়াহুর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে। তবে তিনি ইরানের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিজের দেশের একক ও শক্তিশালী পদক্ষেপও নিতে প্রস্তুত। তাঁর ভাষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি চলাকালীনেও ইসরায়েলকে তার নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক প্রভাব নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নেতানিয়াহুর এই কঠোর ভাষণ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ার জটিলতা আরও বাড়িয়ে তুলবে। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সামরিক সক্ষমতা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক দূরত্ব বজায় থাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে।

বেশি দূর না গিয়েই নেতানিয়াহু নিজের দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন যে, ইসরায়েল তার নিরাপত্তা ও সামরিক শক্তি যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম। তিনি উল্লেখ করেছেন, যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার মধ্যে দেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তা সর্বাগ্রে থাকবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর