ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান

যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার আহ্বান অস্ট্রেলিয়ার


  • আপলোড সময় : রবিবার ১২ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৪৫ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক বিবৃতিতে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং কূটনৈতিক আলোচনার পথ আবারও চালু করা। তাঁর মতে, সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমেই সংকটের সমাধান সম্ভব।

তিনি বলেন, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ায় বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ব্যর্থতা সত্ত্বেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা থেমে যাওয়া উচিত নয়।

পেনি ওং আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এখন উচিত যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগে সব পক্ষকে সংযত থাকা এবং বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি কঠোরভাবে মেনে চলা। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানান।

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই আলোচনাকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে প্রত্যাশা ছিল যে, দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কিছুটা হলেও কমবে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি না হওয়ায় কূটনৈতিক অগ্রগতি থমকে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অস্ট্রেলিয়ার এই আহ্বান এমন এক সময় এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ এখনো বাকি থাকলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হলে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই অস্ট্রেলিয়ার মতো আন্তর্জাতিক অংশীদারদের যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ সীমিত থাকলেও বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনো কোনো স্থায়ী সমাধানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

সূত্র: এএফপি

ঢাকা টুডে / আরজে


এ সম্পর্কিত আরো খবর