ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৭:৪৩ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে আমমোক্তারনামা দলিল সৃষ্টিতে বাধা দিয়ে সাংবাদিক এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহর উপর হামলা, মারপিট ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) এ মামলার ছয়জন আসামির মধ্যে ৪নং আসামি ব্যতীত পাঁচজন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন জানালে  সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডল জামিন নামঞ্জুর করে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং বাকী চারজনের  জামিন মঞ্জুর করেন। বাদীপক্ষে মামলার শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট পিন্টু। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট তোজামসহ অন্যান্যরা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা সোনাডাঙা থানার পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার মোকসুদার রশিদের লক্ষীদাঁড়ি মৌজার ১৮ শতক জমি আমমোক্তারনামা দলিল করে নেওয়ার জন্য এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহ সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসারের এজলাসে আসেন। ওই জমির আমমোক্তারনামা দলিল করে নেওয়ার জন্য মাকসুদার রশিদকে ইতোপূর্বে কয়েক দফায় ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকী পাঁচ লাখ টাকা রেজিস্ট্রি সম্পাদনের সময় দেওয়ার কথা।

রেজিস্ট্রারের এজলাসে আমমোক্তারনামা রেজিস্ট্রির সময় আসামিরা চাঁদা বাবদ ৫০ লাখ টাকা চাইলে আসামিদের সাথে জুলফিকার আলি জিন্নাহ’র কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রেজিস্ট্রারের এজলাস থেকে আসামিরা জিন্নাহকে ঘাড় ধরে মারতে মারতে বাইরে আনে। এ সময় তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরে তাকে অ্যাড. আজাদ হোসেন বেলালের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে আবার এজলাসের মধ্যে এনে আটকে রেখে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। তাকে ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য ভয় দেখানো হয়। পরে আবারো তাকে মারপিট করা হয়। এ সময় আসামি শেখ মাহাবুব উল্লাহ তার ডান পকেটে থাকা দুই লাখ টাকা ও আসামি টুটুল তার বাম পকেটে থাকা তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে স্বজনরা জিন্নাহকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়।
 
এ ঘটনায় এনটিভি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহ বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১২ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, শহরের কাটিয়া লস্করপাড়ার সৈয়দ শাখাওয়াত আলীর ছেলে সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল, তার ছেলে মোঃ শিহাব, শহরের মুনজিতপুরের ইশারত আলী পান্নার ছেলে শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, কাটিয়ার শেখ মোশাররফ হোসেনের ছেলে শেখ মাহাবুব উল্লাহ, সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে তরিকুল ইসলাম ও শহরের পলাশপোলের সাইফুল ইসলাম।   


এ সম্পর্কিত আরো খবর