ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান

মোসাদের চার গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করল ইরান


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৪৩ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান ও লেবাননে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব জেনারেল স্টাফ আইয়াল জামির। গতকাল বুধবার আইডিএফের মুখপাত্র এফি ডেফরিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আইডিএফ মুখপাত্র জানান, সেনাপ্রধান লিতানি নদী পর্যন্ত দক্ষিণ লেবাননের পুরো এলাকাকে হিজবুল্লাহর জন্য ‘কিলিং এরিয়া’ (মৃত্যুপুরী) হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

ডেফরিন দাবি করেন, লেবাননে চলমান সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত হিজবুল্লাহর ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি সদস্যকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। তিনি আরও বলেন, ‘হিজবুল্লাহ যেখানেই লুকিয়ে থাকুক, তাদের নির্মূল করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

আইডিএফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে সামরিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্ত অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেখানে স্থল ও বিমান হামলা জোরদার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

অন্যদিকে ইরান ইস্যুতেও ইসরায়েল তাদের সামরিক প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করছে বলে জানানো হয়েছে। আইডিএফ কর্মকর্তারা বলছেন, ইরান থেকে আসা সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় বিভিন্ন পর্যায়ে গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হিজবুল্লাহ ও ইরান উভয় ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তবে এসব অভিযানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননে ‘কিলিং এরিয়া’ ঘোষণা এবং বড় পরিসরে সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এতে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়বে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আইডিএফ মুখপাত্র এফি ডেফরিন আরও বলেন, ‘হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে দুর্বল করতে এবং তাদের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে অভিযান চলমান থাকবে। যেখানেই তারা অবস্থান করুক, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক হামলায় অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি এবং বেসামরিক মানুষের উদ্বেগও বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি



এ সম্পর্কিত আরো খবর