ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষের পথে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা তুঙ্গে


  • আপলোড সময় : সোমবার ২০ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৩২ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ মাত্র দুই দিন বাকি থাকলেও এই সময়ের মধ্যে তা টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

এর আগে রোববার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি কার্গো জাহাজ জব্দ করে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জাহাজটি তাদের নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় মার্কিন বাহিনী গুলি চালিয়ে জাহাজটি অচল করে দেয় এবং পরে সেটি জব্দ করে নেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাহাজটি নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচলের চেষ্টা করছিল এবং একাধিকবার সতর্ক করার পরও সেটি থামেনি। এ ঘটনার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।

অন্যদিকে ইরান এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে পাল্টা জবাব ও প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে একতরফা শক্তি প্রয়োগ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও সাম্প্রতিক এই ঘটনাগুলো পুরো প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। বিশেষ করে জাহাজ জব্দের ঘটনা দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের শঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতির বাকি সময়টুকুতে পরিস্থিতি শান্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হচ্ছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, সামান্য একটি ভুল হিসাবও বড় ধরনের সংঘাতের জন্ম দিতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষই কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা ও অবরোধ কার্যকর রাখার কথা বলছে, অন্যদিকে ইরান এটিকে সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে।

ফলে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা থাকলেও সামরিক উত্তেজনা পরিস্থিতিকে ক্রমেই জটিল করে তুলছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর