ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না: মীর শাহে আলম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ সৌদির তায়েফসহ ৩ শহরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আহত ১৩ আট বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা, অপরিবর্তিত থাকবে দিন-রাতের তাপমাত্রা ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে সিঁড়িতে হুড়োহুড়িতে ঝরল ৬ প্রাণ

বিএনপির এমপি তালিকায় আওয়ামী লীগ নেত্রী, বিতর্ক শুরু


  • আপলোড সময় : সোমবার ২০ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:২৭ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ জন প্রার্থীর তালিকা ঘোষণার পর নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেত্রীর নাম।

আলোচিত ওই নেত্রী সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর) বিএনপির মনোনয়ন তালিকায় স্থান পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে সুবর্ণা শিকদারের নাম তালিকার ২০ নম্বরে রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুবর্ণা শিকদার গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তবে তিনি বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগের কমিটিতে তার নাম তার অনুমতি ছাড়া অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না।

তবে তার এই দাবিকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ২০২২ সালের সম্মেলনের পর প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সুবর্ণা শিকদারের নাম বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ ছিল বলে দলীয় সূত্র জানায়।

এদিকে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সুবর্ণা শিকদার দীর্ঘদিন উপজেলা আওয়ামী লীগের পদে ছিলেন এবং এখন তা অস্বীকার করা রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্তিকর।

তাদের মতে, নতুন রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য পূর্বের পরিচয় অস্বীকার করা হচ্ছে, যা দলের প্রতি অনৈতিক আচরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে সুবর্ণা শিকদার মতুয়া সম্প্রদায়ের সদস্য এবং ওড়াকান্দি হরিচাঁদ ঠাকুর পরিবারের সদস্য। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক বলেও জানা গেছে।

বিএনপির সংরক্ষিত আসনের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা চলছে। অনেকেই বিষয়টিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এটিকে স্বাভাবিক পরিবর্তন হিসেবে বিবেচনা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন নয়, যেখানে দলীয় পরিচয় ও অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। বিএনপি এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর