ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৮


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৩৫ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে অন্তত আটজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে অঞ্চলজুড়ে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং সংঘাত পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

বুধবার ভোরে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের হানিন শহরে এ হামলা চালানো হয়। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ভোরের বিমান হামলায় শহরের বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতেও দক্ষিণ লেবাননের নাকুরা শহরে হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। রাতভর বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। একই সময় খিয়াম শহরেও বিমান হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্রগুলো।

দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী এলাকায় গত কয়েক দিন ধরেই পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে।

মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ঘোষিত যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও জাতীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহলে এ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। যুদ্ধবিরতির পরও সংঘাত অব্যাহত থাকায় শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তাহলে এই সংঘাত আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রতিনিয়ত হামলার কারণে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সবকিছুই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে। মানবিক সংকটের আশঙ্কাও বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে উঠেছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখা এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর