ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসিতে পাসের বড় বিপর্যয়: ফেল করেছেন ৬ লাখ ২৩ হাজার দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮%, কমেছে পাস ও জিপিএ-৫ এইচএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, পেছনে বরিশাল এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য সুখবর উচ্চ মাধ্যমিকে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ শিক্ষার্থী এইচএসসি ফলে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ এ ছেলেরা বিনা ভোটে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন বিএনপি দেখে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এইচএসসিতে ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, কমেছে সাফল্যের হার মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩,২৫০ জন ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, এইচএসসিতে এগিয়ে ছাত্রীরা

বন্যার কারণে আগেই শুরু হচ্ছে ধান-চাল সংগ্রহ


  • আপলোড সময় : শনিবার ০২ মে, ২০২৬ সময় : ৩:৪২ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

হাওরাঞ্চলের ছয় জেলায় বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম ১২ দিন এগিয়ে এনেছে সরকার। আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কথা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী রোববার থেকে এসব এলাকায় ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হবে। এই কার্যক্রমের আওতায় আসা জেলাগুলো হলো—নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ৩ মে থেকে ধান এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে হাওরাঞ্চলে বন্যার কারণে কৃষকদের ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ছয় জেলায় রোববার থেকেই একযোগে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।

তবে দেশের অন্যান্য জেলায় পূর্বঘোষিত সময়সূচিই বহাল থাকবে। সেসব এলাকায় ৩ মে থেকে ধান এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং এক লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে।

সংগ্রহমূল্য হিসেবে প্রতি কেজি ধানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা। এছাড়া সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং আতপ চাল ৪৮ টাকা কেজি দরে কেনা হবে।

ধান ও চালের পাশাপাশি সরকার গম সংগ্রহ কার্যক্রমও চালাবে। প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে মোট ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ সংগ্রহ অভিযান চলবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, হাওরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার কারণে অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত সরকারি ক্রয় কার্যক্রম শুরু করলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।

সরকারি এই সিদ্ধান্তকে কৃষকবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সময়মতো ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হলে কৃষকের আর্থিক ক্ষতি কিছুটা হলেও কমবে এবং উৎপাদন ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর