ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসিতে পাসের বড় বিপর্যয়: ফেল করেছেন ৬ লাখ ২৩ হাজার দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮%, কমেছে পাস ও জিপিএ-৫ এইচএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, পেছনে বরিশাল এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য সুখবর উচ্চ মাধ্যমিকে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ শিক্ষার্থী এইচএসসি ফলে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ এ ছেলেরা বিনা ভোটে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন বিএনপি দেখে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এইচএসসিতে ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, কমেছে সাফল্যের হার মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩,২৫০ জন ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, এইচএসসিতে এগিয়ে ছাত্রীরা

ওয়েট অ্যান্ড সি, আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব: মমতা


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৪ মে, ২০২৬ সময় : ৩:২১ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার মধ্যেই দলীয় নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে শক্ত বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “ওয়েট অ্যান্ড সি, ওয়াচ। আমরা সবাই আপনাদের সঙ্গে আছি। আপনারা কেউ ভয় পাবেন না। নিশ্চিন্তে থাকুন, আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।”

সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ভোট গণনা চলাকালে হঠাৎ এই বার্তা দলীয় কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভোট গণনার সর্বশেষ প্রবণতা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ১৯৩টি আসনে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ৯৬টি আসনে। এই ফলাফলের প্রবণতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

এমন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের কর্মীদের মনোবল দৃঢ় রাখতে এবং হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ফলাফলের শুরু দেখে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পুরো গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগও তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, বিজেপির একটি পরিকল্পনা ছিল—তাদের যেসব আসনে এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা বেশি, সেগুলোর ফলাফল আগে প্রকাশ করা হচ্ছে। আর তৃণমূল কংগ্রেস যেসব আসনে শক্ত অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর ফলাফল পরে দেখানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “আমি আগেই বলেছিলাম, সূর্যাস্তের পর আসল ফলাফল বোঝা যাবে। তখন দেখা যাবে তৃণমূল কংগ্রেসই জয়ী হবে।” তাঁর এই মন্তব্যে বোঝা যায়, এখনো তিনি নির্বাচনে নিজেদের জয়ের বিষয়ে আশাবাদী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোট গণনার প্রাথমিক প্রবণতা অনেক সময় শেষ ফলাফলের সঙ্গে মিলে না। তাই শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এই অবস্থায় মমতার বার্তা দলীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে যখন প্রতিদ্বন্দ্বী দল বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে, তখন এই ধরনের বার্তা সংগঠনকে সক্রিয় রাখতে সহায়ক হয়।

অন্যদিকে বিজেপির ধারাবাহিক অগ্রগতি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও অনেকেই মনে করছেন। তবে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

সামগ্রিকভাবে, পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনের ফলাফল শুধু রাজ্যের রাজনীতিতেই নয়, বরং ভারতের জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর এখন এই ভোট গণনার দিকেই রয়েছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর