ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

৫ কোটি টাকার প্রকল্প

উদ্বোধনের এক মাসেই ধসে গেল ব্রিজ-সংলগ্ন সড়ক


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৫ মে, ২০২৬ সময় : ৫:৪৫ পিএম

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় উদ্বোধনের মাত্র এক মাসের মধ্যেই একটি ব্রিজ-সংলগ্ন সড়কের অংশ ধসে পড়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও যানবাহনচালকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে উপজেলার সফিপুর–বড়ইবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের মকশ বিল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের দুই পাশের সড়কের অংশ ভেঙে পড়ে গেছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সোমবার (৪ মে) দিবাগত রাতে হঠাৎ করেই সড়কের একটি অংশ ধসে পড়ে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা জানান, সড়কটি প্রতিদিন হাজারো মানুষ ব্যবহার করে থাকেন, কিন্তু এখন এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার কালিয়াদহ মকশ বিল এলাকায় ৫৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোস্তফা কামাল অ্যান্ড সন্স এন্টারপ্রাইজ। সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৫১৭ টাকা। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই প্রায় এক মাস আগে সেতুটি উদ্বোধন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কের অংশ ধসে পড়েছে। এতে নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

পথচারী ও যানবাহনচালকরা জানান, প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে অন্ধকারে এই সড়ক ব্যবহার আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কার এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে যে, এ ধরনের দুর্বল নির্মাণ ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তারা নিয়মিত মান নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল আল মামুন বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের একটি অংশ ধসে পড়েছে। কাজের মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি বলেও তিনি জানান। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে পুনরায় সংস্কার করানো হবে।

সব মিলিয়ে, উদ্বোধনের অল্প সময়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামো ধসে পড়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।



এ সম্পর্কিত আরো খবর