ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজির বিরুদ্ধে শিক্ষকের জমি দখলের অভিযোগ


  • আপলোড সময় : রবিবার ১০ মে, ২০২৬ সময় : ৭:১৪ পিএম

বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে শিক্ষকের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক তালুকদার আলতাব হোসেনের কন্যা ফারজানা জান্নাত।

রবিবার (১০ মে) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফারজানা জান্নাত।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, তার পিতা রামপাল উপজেলার প্রধান সড়ক সদরে ওয়ারেসূত্রে, দানপত্র ও কবলা মূলে মালিকানা দখলীয় জমিতে তিনতলা ভবন নির্মাণ করেছেন। ভবনের সামনে চারটি দোকান ও দুটি ফ্যামিলি বাসা নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি পুলিশ কর্মকর্তা ওমর ফারুক তার ছোট কাকার ভোগদখলীয় ভবনের পশ্চিম পাশে উত্তর–দক্ষিণ লম্বা অংশ জমি ক্রয় করেন। এরপর তিনি ওই জমি ক্রয় করে তাদের ভোগদখলীয় দোকান ঘর ও ভাড়াটিয়ার ঘর অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করেন।

ফারজানা জান্নাতের দাবি অনুযায়ী, গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ওমর ফারুকের নির্দেশে শেখ ইস্রাফিল ও হাওলাদার রফিকুল ইসলামসহ ১০–১২ জন লোক এসে তাদের ভাড়া দেওয়া দোকান ঘর ভাঙচুর শুরু করে।

এ সময় তারা ৯৯৯-এ কল করলে রামপাল থানার এসআই প্রদীপ কুমার ঘটনাস্থলে আসেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী তিনি ভাঙচুর বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে থানা ফিরে যান।

পরে ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তারা থানায় এজাহার এবং খুলনা ডিআইজি বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন। তবে দীর্ঘ সময়েও কোনো তদন্ত বা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা ৩০৬/২৫ নং মামলায় আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী আসামিরা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত তাদের চারটি দোকান ও দুটি বসতঘর ভেঙে ফেলে এবং মালামাল আত্মসাৎ করে সেখানে পাকা দেয়াল নির্মাণ শুরু করে।

ভুক্তভোগীর দাবি, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ওমর ফারুক প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। বরং তাদের পরিবারকে নিয়মিত হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

ফারজানা জান্নাত আরও বলেন, তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং যেকোনো সময় মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি একাধিকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ পুলিশের আইজিসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর