ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক


  • আপলোড সময় : রবিবার ১০ মে, ২০২৬ সময় : ৭:২৩ পিএম

কুমিল্লার দেবিদ্বারে মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রবিবার ভোরে উপজেলার বড়শাঘর ইউনিয়নের ছোটশালঘর গ্রামের আলী হোসেন ব্যাপারী বাড়ির প্রবাসী কামাল হোসেন খানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

দেবিদ্বার থানার এসআই অজয় চক্রবর্তী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক কারবারি কামাল হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন মাদক ক্রেতা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা সম্ভব হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন ছোটশালঘর গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে কামাল হোসেন খান (৪৪), একই গ্রামের আবুল কাসেম ভূঁইয়ার ছেলে মো. রনি ভূঁইয়া (২৪) এবং ইউছুফপুর ইউনিয়নের ইউছুফপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. শামিম (২৫)।

পুলিশ জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে।

দেবিদ্বার থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইমাম হাসান বলেন, টহল পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৩০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে এবং এলাকায় মাদক ব্যবসা নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক কারবার ও সেবনের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছিল। পুলিশের এই অভিযানকে তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর