ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না: মীর শাহে আলম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ সৌদির তায়েফসহ ৩ শহরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আহত ১৩ আট বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা, অপরিবর্তিত থাকবে দিন-রাতের তাপমাত্রা ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে সিঁড়িতে হুড়োহুড়িতে ঝরল ৬ প্রাণ

. নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে নতুন বক্তব্য ফরিদা আখতারের


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬ সময় : ৫:২৮ পিএম

বিএনপি–জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নিয়েই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ওই সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে নয়াকৃষি আন্দোলন ও উবিনীগের (উন্নয়ন বিকল্পের নীতিনির্ধারণী গবেষণা) আয়োজনে হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের তিন দিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি করা হলেও বিএনপি–জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলোর মতামত নিয়েই তা করা হয়েছিল। এ কারণে তারা কেউ এখন এই চুক্তির বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিচ্ছে না। চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনে এটি বাতিল বা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, তবে সব পক্ষেরই দাবি তোলা উচিত যে এই চুক্তি যেন সংসদে আলোচনা হয়। চুক্তিটি অবশ্যই সংসদে উপস্থাপন করে জনগণের মতামত ও সম্মতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড—এআরটি) সই হয়। এরপর থেকেই এ চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা ও আলোচনা চলছে।

চুক্তি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকেও অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়েছে। একই দিন সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান এক ব্রিফিংয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া এই চুক্তির লাভ–ক্ষতি যাচাই করা হবে। সরকার নিজস্বভাবে বিশ্লেষণ করে দেখবে রাষ্ট্রীয় স্বার্থে কোনো বিরূপ প্রভাব আছে কি না। প্রয়োজনে ছয় মাসের নোটিশ দিয়ে চুক্তি বাতিল করার সুযোগ থাকলেও তা করলে কিছু বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করবে বলেও জানান তিনি।

চুক্তি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও অর্থনৈতিক মহলে নানা ধরনের প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সংসদে উপস্থাপন, স্বচ্ছতা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি সামনে আসছে।

ফরিদা আখতার তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো চুক্তি অবশ্যই সংসদে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হওয়া উচিত, যাতে জনগণের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর