ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

গোয়ালন্দে পিঁয়াজ-রসুনে ধলতা প্রথা বন্ধের দাবি কৃষকদের


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৩ মে, ২০২৬ সময় : ৭:০৫ পিএম

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন , গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আড়ৎদার কর্তৃক পিঁয়াজ-রসুনে ধলতা প্রথা বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চরাঞ্চলসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কৃষকরা। তারা এ প্রথাকে অন্যায্য দাবি করে অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান।

গোয়ালন্দ বাজার আড়ৎ পট্টিতে দেখা যায়, কৃষক এক মন পেঁয়াজ আনলে ওজনের সময় ধলতা হিসেবে ২ কেজি পেঁয়াজ কেটে নেওয়া হয় এবং এক মন রসুনে ১ কেজি বেশি ধরা হয়। অর্থাৎ আড়ৎদাররা পেঁয়াজে ৪২ কেজিতে এক মন এবং রসুনে ৪১ কেজিতে এক মন ধরে দাম নির্ধারণ করেন। এতে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

উজানচর চর কর্নেশন এলাকার পেঁয়াজ চাষী মোহাম্মদ আলী বলেন, “রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পেঁয়াজ চাষ করি। কাটা, শুকানো, পরিবহন—সব খরচ বহন করে বাজারে আনি। কিন্তু আড়ৎদাররা ৪২ কেজিতে এক মন ধরে ২ কেজি কেটে রাখে। এতে আমরা লোকসানে পড়ছি।”

চর মহিদাপুরের আরেক চাষী মোঃ শাজাহান শেখ বলেন, “বাড়ি থেকে এক মন রসুন এনে বিক্রি করার পর ওজনের আগেই ১ কেজি কেটে রাখা হয়। রসুনের দাম এমনিতেই কম, তার ওপর খাজনা ও পরিবহন খরচ আছে। এখন ধলতা যোগ হওয়ায় আমরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।”

অন্য কৃষকরাও অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা এ ধলতা প্রথা বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ন্যায্যমূল্য না পেলে কৃষি উৎপাদনে আগ্রহ কমে যাবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস জানান, দুই-এক দিনের মধ্যে বাজার ব্যবসায়ী সমিতি, আড়ৎদার ও কৃষকদের নিয়ে সভা করা হবে। সেখানে ধলতা প্রথা বন্ধে সতর্ক করা হবে। এরপরও কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর