ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেই আলোচনায় বসল যুক্তরাষ্ট্র-চীন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৪ মে, ২০২৬ সময় : ৯:০৬ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বহুল আলোচিত বৈঠক শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ে দুই নেতার এই বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, চলমান বাণিজ্য উত্তেজনার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালীর সংকট এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবারের আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

২০১৭ সালের পর এটিই ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম চীন সফর। এমন এক সময় তিনি চীন সফরে গেলেন, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় অস্থিরতা বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের জন্য বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৌঁছান ট্রাম্প। চীনের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও বিদেশি অতিথিদের আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার জন্য ব্যবহৃত হয় এই ভবনটি। ১৯৫৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে এটি নির্মাণ করা হয়। ভবনটি তিয়ানআনমেন স্কয়ারের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।

ট্রাম্প গ্রেট হলে পৌঁছানোর পর তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানানো হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত ‘দ্য স্টার-স্প্যাংলড ব্যানার’ বাজানো হয়।

অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্যালুট জানান এবং শি জিনপিং তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এরপর চীনের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেয় রঙিন পোশাক পরা ডজনখানেক চীনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তারা দুই দেশের পতাকা ও ফুল নেড়ে অতিথিদের শুভেচ্ছা জানায়।

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে। এছাড়া ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালী ঘিরে যে সংকট তৈরি হয়েছে, সেটিও আলোচনায় বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে। কারণ বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই অর্থনীতির এই বৈঠক বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন বার্তা দিতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত, তেলের বাজারের অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতির কারণে বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ট্রাম্পের চীন সফর নিয়ে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের নতুন দিকনির্দেশনা নির্ধারণে এই বৈঠক বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা


এ সম্পর্কিত আরো খবর