মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স (SpaceX) আর বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা (Tesla) দিয়েই আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন ইলন মাস্ক। সারাবিশ্বে এখন তার মতো ধনী ব্যক্তি আর কেউ নেই। মাত্র ৫৪ বছর বয়সে তার মোট সম্পদ আটশ’ কোটি ডলারের ওপরে। অথচ ২০২৫ সালেও তার সম্পদ ছিল তিনশ’ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। বিশ্বের শীর্ষ বাকি ধনকুবেরদের মধ্যে রয়েছেন গুগলের (Google) সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, অ্যামাজনের (Amazon) প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং ওরাকলের (Oracle) প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি ইলিসন। নতুন করে শীর্ষ ধনকুবেরদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ডেল টেকনোলজিসের (Dell Technologies) প্রধান নির্বাহী মাইকেল ডেল। তবে ফেসবুক (Facebook) প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ নেমে গেছেন কিছুটা নিচে, তার অবস্থান এখন সপ্তম।
তালিকায় অষ্টম অবস্থানে জায়গা করেছেন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার (Nvidia) প্রতিষ্ঠাতা বিলিওনিয়ার জেনসেন হাওং। নবম অবস্থানে নেমেছেন এলভিএইচএম’র (LVMH) চেয়ারম্যান বার্নার্ড আর্নল্ট। মূলত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারে শীর্ষ বিলিওনিয়ারদের তালিকায় ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীরা। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে বিলিওনিয়ার ছিলেন ৩ হাজার ৪০০’র ওপরে। আবাসন প্রতিষ্ঠান নাইট ফ্রাঙ্কের তথ্য বলছে, ২০৩১ সালের মধ্যে বিশ্বে বিলিওনিয়ারের সংখ্যা দাঁড়াবে ৪ হাজার, যাদের মোট সম্পদ হবে ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। আর এই ধনকুবেরদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাস করেন যুক্তরাষ্ট্রে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সারাবিশ্বে দারিদ্র্যের হার আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে ৮২ কোটির বেশি মানুষ, যাদের দৈনিক আয় ৩ ডলারের নিচে। দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বাড়ছে আফ্রিকায়। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে এখন এশিয়াতেও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা। সেইসঙ্গে বিশ্বজুড়ে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে ধনী ও গরীবের আয়ের ব্যবধান।