ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই


  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ জুন, ২০২৬ সময় : ৪:৫৫ পিএম

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা প্যারালাইজড হওয়াসহ অন্যান্য নানাবিধ জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। উল্লেখ্য, সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর একটি গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশ্য পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছিলেন।

তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন গণমাধ্যমকে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, তোফায়েল আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি বা ভিপি ছিলেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ও ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়া একাধিকবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ছিলেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর