ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই


  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ জুন, ২০২৬ সময় : ৪:৫৫ পিএম

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা প্যারালাইজড হওয়াসহ অন্যান্য নানাবিধ জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। উল্লেখ্য, সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর একটি গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশ্য পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছিলেন।

তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন গণমাধ্যমকে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, তোফায়েল আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি বা ভিপি ছিলেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ও ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়া একাধিকবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ছিলেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর