ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা সোমবার (১ জুন) বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
জানা গেছে, মৃত্যুর পর তার মরদেহ গোসলের জন্য ধানমণ্ডির ১২/এ এলাকায় অবস্থিত তাকওয়া মসজিদে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গোসল শেষে বাদ মাগরিব প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ও ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য হেমায়েত উদ্দিন জানান, প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষণ করা হবে। পরদিন মঙ্গলবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে মরদেহ ভোলায় নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার বাদ জোহর ভোলা জিলা স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসির উদ্দিনও বাদ মাগরিব তাকওয়া মসজিদে তোফায়েল আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তোফায়েল আহমেদ প্যারালাইসিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তিনি লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহল গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার ভোলায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।