ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

হবিগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি ৩ গ্রাম, বিপর্যস্ত জনজীবন


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬ সময় : ৮:০২ পিএম

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া ঢলে ভান্ডারুয়া, জামালপুর ও এক্তিয়ারপুর গ্রামের শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বর্ষণে রাতারাতি পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওই তিন গ্রামের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। এলাকাটির যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। পানিবন্দি অনেক পরিবার ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। আকস্মিক এই বন্যায় কয়েকশ একর আউশ ধান ও মৌসুমি শাকসবজি তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গবাদিপশুর খাদ্য। এ ছাড়া বেশ কিছু কাঁচা ও মাটির তৈরি বসতঘর ভেঙে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।

এক্তিয়ারপুর গ্রামের কৃষক সুন্দর আলী বলেন, ‘আমার ঘরে পানি উঠেছে। রাস্তায় হাঁটুর উপরে পানি, চলাফেরা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সব ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আমরা দিশেহারা।’ জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ূন কবীর জানান, পুরো গ্রাম পানিতে ডুবে আছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম ফয়সলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ত্রাণ সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. পারভেজ চৌধুরী শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ত্রাণ বা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দ্রুত সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে বিষয়টি খোঁজখবর নিয়েছি। ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বাড়িঘরে পানি উঠেছে। কারো মানবিক সহায়তা প্রয়োজন হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে আমরা দ্রুত পৌঁছে দেব। ইতিমধ্যে পিআইও এবং উপজেলা প্রশাসন এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছে। তবে বর্তমানে পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।’


এ সম্পর্কিত আরো খবর