আজহারুল হক, ময়মনসিংহ / : 58
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার স্বামী ও মাকে হাত-পা-মুখ বেঁধে মারধর এবং বাড়িতে লুটপাটের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বুধবার (১৭ জুন) পাগলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০ বছর বয়সী ওই গৃহবধূ স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে মায়ের বাড়িতে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার রাতে তার মা এক কক্ষে এবং গৃহবধূ স্বামী ও তিন বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে অন্য কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন।
রাত আনুমানিক ১টার দিকে ৭ থেকে ৮ জনের একটি দল ঘরে প্রবেশ করে। তারা গৃহবধূর মা ও স্বামীর হাত, পা ও মুখ বেঁধে মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ঘরে লুটপাটও চালানো হয়। একপর্যায়ে বাধা দেওয়ায় ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, বাড়ি থেকে প্রায় দেড়শ মিটার দূরে একটি গাছতলায় নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরে তিনি বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানান।
ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং মৃত্যুর পর তিনি মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। দুর্বৃত্তরা শুধু লুটপাটই করেনি, তার মেয়ের ওপর পাশবিক নির্যাতনও চালিয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে পাগলা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।