রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় ট্রান্সকম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত প্রীতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ট্রাইব্রেকারের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে লিজেন্ড স্কোয়াডকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্টার ইলেভেন।
শনিবার (২০ জুন) সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ প্রীতি ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়। খেলাটি ঘিরে কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়, ফলে মাঠে ছিল টানটান উত্তেজনা।
টুর্নামেন্টে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে দুটি দল—স্টার ইলেভেন ও লিজেন্ড স্কোয়াড—অংশগ্রহণ করে। নির্ধারিত সময়ে উভয় দল ১-১ গোলে সমতায় থাকায় ম্যাচের ফল নির্ধারণে ট্রাইব্রেকারের আশ্রয় নেওয়া হয়।
ট্রাইব্রেকারে স্টার ইলেভেনের খেলোয়াড়রা দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। দলের হয়ে সফলভাবে গোল করেন আলমগীর হোসেন, জাকির হোসেন, আমানত আলী, লিটন সরকার ও শামীম আহম্মেদ। অন্যদিকে লিজেন্ড স্কোয়াডের একটি শট ব্যর্থ হলে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে শিরোপা নিশ্চিত করে স্টার ইলেভেন।
খেলা শেষে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্টার ইলেভেনের সভাপতি আকরাম হোসেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মুড়াপাড়ার পাবই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফ মিয়া, সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মজিদ, রূপগঞ্জ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য জুয়েল সরকার, ক্রীড়ানুরাগী আসাদুজ্জামান, মাহিদুল ইসলাম সুমন এবং আল-আমিন সরকার।
বক্তারা বলেন, খেলাধুলা সুস্থ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি খেলাধুলার আয়োজন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও দলগত মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়ক হয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।
পরে অতিথিরা বিজয়ী স্টার ইলেভেন দলের অধিনায়ক ও খেলোয়াড়দের হাতে গোল্ডকাপ ট্রফি তুলে দেন। এ সময় খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস ও দর্শকদের করতালিতে পুরো মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে।
আয়োজকরা জানান, কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতেই এ ধরনের প্রীতি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পৃক্ত রাখার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।