ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

দাড়ি মন্তব্যে মনির চৌধুরী নিয়ে বিতর্ক, মামলা দায়ের


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৪ জুন, ২০২৬ সময় : ৬:০৯ পিএম

ৎমোঃ বাকী অনিক , কুমিল্লা  প্রতিনিধি 

কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাড়ি সংক্রান্ত একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। “রবীন্দ্রনাথের দাড়ি” বলে করা এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামী আলোচক ও চরমোনাই পীর হিসেবে পরিচিত মুফতি ফয়জুল করিম-এর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও মামলার অভিযোগপত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বক্তব্যে মুফতি ফয়জুল করিম সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর দাড়ি প্রসঙ্গে “রবীন্দ্রনাথের দাড়ি” শব্দবন্ধ ব্যবহার করেন। এ মন্তব্যটি প্রকাশের পরপরই বিষয়টি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই মন্তব্যের মাধ্যমে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ব্যক্তিগত পরিচিতি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে এবং এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের মন্তব্য প্রচার ও প্রকাশের ফলে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে এবং এটি জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রমাণ যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘটনাটি ঘিরে কুমিল্লার রাজনৈতিক মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে অনেকেই মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, অনেকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের প্রয়োগ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নও তুলছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রাজনৈতিক বক্তব্য ও ব্যক্তিগত মন্তব্যের সীমারেখা দিন দিন অস্পষ্ট হয়ে উঠছে, যার ফলে এ ধরনের আইনি জটিলতা বাড়ছে। বিশেষ করে জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের নিয়ে মন্তব্য দ্রুতই জনমতকে প্রভাবিত করে এবং অনেক ক্ষেত্রে তা বিতর্কে রূপ নেয়।

এদিকে, মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর