ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

নড়াইলে এমপির মেয়ের নাম অনুদানের তালিকায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬ সময় : ৯:৩২ পিএম

নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল-২ (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চুর ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান মঞ্জুরির একটি তালিকায় তার মেয়ের নাম থাকার অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া তালিকায় সংসদ সদস্যের মেয়ে ফাইজার নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

সংসদ সচিবালয়ের অর্থ শাখা-২ থেকে ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে ইস্যুকৃত একটি পত্রে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা ১০ জনের নামে অনুদান মঞ্জুরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া তালিকায় ১ নম্বরে হবোখালী গ্রামের ফাইজা, পিতা মো. বাচ্চুর নামে ১০ হাজার টাকা এবং ৮ নম্বরে ফাইজা, পিতা মো. আতাউরের নামে আরও ১০ হাজার টাকা অনুদানের উল্লেখ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, এ দুই নামের মধ্যে একটি সংসদ সদস্যের মেয়ের। এ দাবিকে কেন্দ্র করেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, একজন সংসদ সদস্য বছরে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য ঐচ্ছিক তহবিল পান। তিনি শপথ নেওয়ার পর চলতি অর্থবছরে তার আসনের জন্য মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদ সচিবালয়ে তালিকা জমা দেওয়ার তাগিদ থাকায় তিনি তার ব্যক্তিগত সহকারীকে (পিএস) বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নাম সংগ্রহ করে তালিকা জমা দিতে বলেন। তার ভাষ্য, ব্যক্তিগত সহকারী পরে পরিচিত কয়েকটি নাম দিয়ে তালিকা জমা দিয়েছেন। তবে তিনি নিজে তালিকাটি দেখার সুযোগ পাননি।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, এখনও তিনি ওই অর্থ হাতে পাননি। প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা অনুযায়ী পরবর্তীতে অনুদান বিতরণ করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নতুন তালিকা পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

সমালোচনার বিষয়ে আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, “জনগণের হকের একটি পয়সাও আমি বা আমার পরিবারের কেউ আগামী পাঁচ বছরে স্পর্শ করবে না। যারা আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন, তাদের জন্যও আমার অফুরন্ত দোয়া রইল।”

জানা গেছে, সদর উপজেলার জন্য ১০ জনের নামে ৮০ হাজার টাকা এবং লোহাগড়া উপজেলার ১১ জনের নামে ১ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দের পৃথক তালিকাও রয়েছে। তবে ভাইরাল হওয়া তালিকায় উল্লেখিত ফাইজা সংসদ সদস্যের মেয়ে কি না, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক যাচাই পাওয়া যায়নি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর