ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

কুমিল্লার তিতাসে আলোচিত মামুন সম্রাট হত্যা মামলার ‘কসাই শামীম’ গ্রেপ্তার


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৯ জুন, ২০২৬ সময় : ৬:২৬ পিএম

মোহাম্মদ বাকি অনীক, কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার আলোচিত মামুন সম্রাট হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. শামীম ওরফে ‘কসাই শামীম’ (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করেছে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। শনিবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শামীম তিতাস উপজেলার শোলাকান্দি গ্রামের মৃত সালামত বেপারীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘটিত মামুন সম্রাট হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া এজাহারভুক্ত আসামিদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে শামীমের নাম উঠে আসে। এই তথ্যের ভিত্তিতে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি চৌকস দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই শামীম আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে পুলিশের অভিযানে তিনি ধরা পড়েন।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে। একই সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘটিত মামুন সম্রাট হত্যা মামলাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ঘটনার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর