গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— রিয়াজন ওরফে রাজন (৩০), জাহাঙ্গীর শেখ ওরফে জমির (২৭), জহির (৩৩), বায়েজিদ (২৯), রাজিব হাসান (২৯), হোসাইন (৩৪), রাসেল ওরফে খাবরি (২৮), সাগর ওরফে নয়ন (২০), মনোয়ার হোসেন (২৮), তৌহিদুল সজীব (৩৫) এবং রনি খান (৩৯)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গীতে বর্জিত মালামালের (ঝুট) ব্যবসা করে আসছেন। গত ২৭ জুন টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্যসচিব নাজমুল হোসেন মণ্ডলের নেতৃত্বে একটি চক্র তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ২৮ জুন দুপুরে শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে সশস্ত্র মহড়া দেয় তারা। এ সময় একটি কারখানায় প্রবেশ করে মালামাল বিক্রি না করার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
আকাশজমিন / আরআর