সান ফ্রান্সিসকোতে ম্যাচ শেষে সের্গেই বারবারেজ বলেন, “আমি আমার খেলোয়াড়দের নিয়ে ভীষণ গর্বিত। এই অর্জন আমাদের উদযাপন করা উচিত, দুঃখ করা নয়। এটাই জীবন, এটাই ফুটবল; বিশেষ করে এমন বড় একটি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা বিশাল চ্যালেঞ্জ।”
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রথম নকআউট ম্যাচ ছিল। গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক কানাডার সঙ্গে ড্র, কাতারের বিপক্ষে জয় এবং সুইজারল্যান্ডের কাছে হারের পর শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছিল দলটি। এর আগে বাছাইপর্বে ওয়েলস ও চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে মূলপর্বে জায়গা করে নিয়ে তারা ইতিহাস গড়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচটি যে কঠিন ছিল তা অকপটে স্বীকার করেছেন সের্গেই বারবারেজ। তিনি জানান, বলের দখল রাখা ও পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি করতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে তাদের। তবে খেলার মাঠে শিষ্যদের লড়াই তাকে আপ্লুত করেছে। কোচ বলেন, “আমরা দুই গোলে পিছিয়ে ছিলাম। কিন্তু ওদের লড়াই দেখে আমার হৃদয় গর্বে ভরে গিয়েছিল। এটি সত্যিই অসাধারণ এক অনুভূতি। এই মুহূর্তে আমি নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে গর্বিত কোচ মনে করছি।”
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা সের্গেই বারবারেজ মনে করেন, দেশের মানুষের উষ্ণ অভ্যর্থনা তাদের এই পরিশ্রমের প্রকৃত মূল্য বুঝিয়ে দেবে। তিনি বলেন, “ভিডিও বার্তা কিংবা ফোনকল অবশ্যই ভালো লাগে, কিন্তু মানুষের মাঝে ফিরে যাওয়ার পরই আমরা বুঝতে পারব যে, আমাদের এই অর্জন কতটা বড়।”