ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা আজ শনিবার (৪ জুলাই) স্থানীয় সময় সকালে রাজধানী তেহরানে শুরু হয়েছে। তেহরানের ঐতিহ্যবাহী গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে এই বিদায় অনুষ্ঠান ও জানাজার আয়োজন করা হয়েছে। ইসলামি বিপ্লবের অন্যতম প্রধান এই নেতার কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই সেখানে জড়ো হয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। সাধারণ জনতার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরাও এই শেষকৃত্যে অংশ নিতে ইরানে হাজির হয়েছেন।
ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ভক্ত ও সাধারণ মানুষের ঢল সামলাতে এবং শৃঙ্খলার সুবিধার্থে সকালের শুরুতেই গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রবেশদ্বারগুলো খুলে দেওয়া হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।
এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক এক যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন আলি খামেনি। সেই ভয়াবহ হামলায় তার সঙ্গে প্রাণ হারান পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য। দীর্ঘ চার দশক ধরে ইরানের রাজনীতি ও ধর্মীয় ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা এই নেতার আকস্মিক মৃত্যুতে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন তৈরি হয়।
খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। নতুন নেতৃত্বের অধীনে রাষ্ট্রীয় শোক ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ, অর্থাৎ মৃত্যুর দীর্ঘ চার মাস পর, আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে শুরু হলো।