ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

গিমারাইসের পেনাল্টি মিসের দায় কার? খোলসা করলেন আনচেলত্তি


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৬ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৭:৫৯ এএম

ক্রীড়া প্রতিবেদক 

নরওয়ের বিপক্ষে ২–১ ব্যবধানের সেই বুকভাঙা হার এবং বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর এখন চারদিকে শুধু হতাশার সুর। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি স্পট থেকে নেইমার জুনিয়র একটি গোল শোধ করলেও ফুটবলপ্রেমীদের মনে বারবার কাঁটার মতো বিধছে ম্যাচের শুরুর দিকের সেই মুহূর্তটি। খেলার মাত্র ১৩ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েও তা জালে জড়াতে ব্যর্থ হন মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারাইস। ম্যাচের একদম প্রারম্ভিক মুহূর্ত হলেও সেই পেনাল্টি মিসের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। সবার মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল— নেইমার তখন মাঠে না থাকলেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি কিংবা মাতেউস কুনিয়ার মতো তারকা ফরোয়ার্ডরা থাকতে কেন গিমারাইসের মতো একজন মিডফিল্ডারকে পেনাল্টি শট নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হলো? ম্যাচ শেষে দলের এমন মহাবিপর্যয়ের পর এই জ্বলন্ত প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় সেলেসাওদের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে।

কোচ কার্লো আনচেলত্তি অবশ্য এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো তাৎক্ষণিক আবেগ কাজ করেনি বলে দাবি করেছেন। তিনি পরিষ্কার জানান, কোন পরিস্থিতিতে কে পেনাল্টি নিতে মাঠে এগিয়ে যাবেন, তা হুট করে ঠিক করা হয়নি। দলের টেকনিক্যাল স্টাফরা দীর্ঘদিন ধরে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স ও মানসিকতা সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করে এই পেনাল্টি শুটারদের একটি নির্দিষ্ট ক্রমতালিকা তৈরি করে রেখেছিলেন। সেই অফিশিয়াল তালিকা অনুযায়ী, আক্রমণভাগের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কিংবা গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির চেয়েও পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্রুনো গিমারাইসকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। আর তালিকার ওপরের দিকে থাকা বাকি মূল পারফর্মারদের কেউই ম্যাচের ওই ১৩তম মিনিটে মাঠের ভেতর উপস্থিত ছিলেন না।


পেনাল্টি শুটারদের সেই গোপন ক্রমতালিকা প্রকাশ করে ইতালিয়ান এই মাস্টারমাইন্ড বলেন, পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে দলের সবচেয়ে সেরা এবং প্রথম পছন্দ সবসময়ই নেইমার জুনিয়র। নেইমারের ঠিক পরেই দ্বিতীয় পছন্দ হিসেবে রাখা হয়েছিল ইগর থিয়াগোকে, তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন রাফিনিয়া এবং তাঁদের ঠিক পরেই চতুর্থ বিকল্প হিসেবে নাম ছিল ব্রুনো গিমারাইসের। এমনকি গতিময় ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিও ছিলেন এই সবার পেছনে। আনচেলত্তি তাঁর সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, যেহেতু সেই সময়ে নেইমার, থিয়াগো বা রাফিনিয়ার কেউই মাঠে খেলছিলেন না, তাই ওই মুহূর্তে মাঠে থাকা ফুটবলারদের মধ্যে টেকনিক্যাল স্টাফদের কাছে ব্রুনো গিমারাইসকেই পেনাল্টি নেওয়ার জন্য সবচেয়ে যোগ্য এবং সেরা বিকল্প বলে মনে হয়েছিল। তবে কোচের এই কৌশলগত ব্যাখ্যা সত্ত্বেও এত বড় মঞ্চে পেনাল্টির মতো সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হওয়া এবং শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার বেদনা সহজে ভুলতে পারছেন না সেলেসাও সমর্থকেরা।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর