ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ অল্পের জন্য বাঁচলেন আন্তর্জাতিক নেতারা ৩৬ ঘণ্টা পর নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ

ড্রেসিংরুমে স্কালোনির নাম কেন ‘কাঁদুনে বাবু’?


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৮ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৮:৪২ এএম

মাঠে তিনি শান্ত, অবিচল। দলের গোল উদযাপনে যেমন পাথরমুখো, তেমনি গোল হজম করলেও তাকে দেখা যায় ডাগআউটে দাঁড়িয়ে ঠাণ্ডা মাথায় কৌশলের ছক কষতে। আর্জেন্টিনার ডাগআউটের সেই অতিমানবিক শান্ত কোচ লিওনেল স্কালোনিই নাকি ড্রেসিংরুমে ফিরলে অন্য মানুষ! আলবিসেলেস্তে ফুটবলারদের কাছে তার পরিচয় একজন ‘কাঁদুনে বাবু’ হিসেবে। সম্প্রতি এক ম্যাচ জয়ের পর ড্রেসিংরুমের এই মজার গোপন তথ্যটি নিজেই ফাঁস করেছেন খোদ আর্জেন্টাইন মাস্টারমাইন্ড।

মিশরের বিপক্ষে মহানাটকীয় ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানের অবিশ্বাস্য জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। এমন রুদ্ধশ্বাস ও আবেগঘন জয়ের পর মাঠেই অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচের এই তীব্র আবেগ ছুঁয়ে গেছে ডাগআউটের গুরুকেও। সাধারণত লাইমলাইটের সামনে নিজের আবেগকে আড়াল করে রাখলেও, মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি স্বীকার করেন যে নিজের ভেতরের আবেগ ধরে রাখা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে নিজের এই আবেগপ্রবণ রূপের কথা অকপটে স্বীকার করেন স্কালোনি। তিনি জানান, দলের ফুটবলাররা প্রায়ই তার এই অতিরিক্ত আবেগ নিয়ে মজা করে। স্কালোনি বলেন, ‘আমি আসলে খুবই নরম মনের মানুষ এবং প্রায়শই আবেগ সামলাতে না পেরে কেঁদে ফেলি। আজকেও ম্যাচের পর ড্রেসিংরুমে আমার চোখ দিয়ে জল চলে এসেছিল। এই কারণেই দলের ছেলেরা আমাকে ভালোবেসে “কাঁদুনে বাবু” বলে খ্যাপায়। তবে এই ডাকনামে আমার একদমই কিছু মনে হয় না।’

কোচিং ক্যারিয়ারে এসেও যে তিনি নিজের ফুটবলার জীবনের সেই পুরোনো উত্তেজনা ও আবেগ ফিরে পেয়েছেন, সেটিও স্পষ্ট করেন এই বিশ্বজয়ী কোচ। স্কালোনি জানান, যারা দীর্ঘ দুই দশক বা তার বেশি সময় ধরে মাঠ কাঁপিয়েছেন, তাদের জন্য ডাগআউটে দাঁড়িয়ে এমন অবিশ্বাস্য মুহূর্তের সাক্ষী হওয়া সত্যিই দারুণ এক অনুভূতি। তিনি মনে করেন, সাবেক ফুটবলারদের কোচিং পেশায় আসার মূল কারণই হলো মাঠের এই তীব্র রোমাঞ্চ, উত্তেজনা আর বুক কাঁপানো আবেগকে আবারও কাছ থেকে অনুভব করা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর