ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ

কৌশল ও কারিগরি ভুলে স্বপ্নভঙ্গ, হারের কারণ জানালেন এমবাপ্পে


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৫ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১০:০৪ এএম

বিশ্বকাপের মহাদাপুটে সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায়ের পর নিজেদের ব্যর্থতা অকপটে স্বীকার করলেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। ম্যাচ শেষে চরম হতাশা প্রকাশ করে ফরাসি এই তারকা জানান, কৌশলগত কিংবা কারিগরি—কোনো দিক থেকেই নিজেদের চেনা ছন্দে মাঠে নামতে পারেনি ফ্রান্স। তাঁর মতে, বিশ্বমঞ্চের সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন হতশ্রী পারফরম্যান্স নিয়ে কখনো জয় পাওয়া সম্ভব নয়।

ম্যাচ পরবর্তী সময়ে ফরাসি টেলিভিশন চ্যানেল এম৬-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে তাঁর মনের ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দেন। তিনি বলেন, ম্যাচের পরিকল্পনা অনুযায়ী যেভাবে খেলা উচিত ছিল, ফরাসি শিবির তার কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেনি। প্রত্যাশার চেয়েও ঢের নিচে ছিল পুরো দলের পারফরম্যান্স। স্পেনের দুর্দান্ত ফুটবল কৌশলের প্রশংসা করে তিনি জানান, স্প্যানিশরা স্বভাবসুলভভাবে বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে রেখেছিল। ফরাসিদের পরিকল্পনা ছিল শুরু থেকেই স্পেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের ছন্দহীন করা, কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে। ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা অজস্র কারিগরি ভুল করেছেন এবং প্রতিপক্ষকে ন্যূনতম কোনো বিপদেও ফেলতে পারেননি, যার খেসারত দিতে হয়েছে ম্যাচ হেরে।

পরাজয়ের মূল ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে মাঝমাঠের ব্যর্থতাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক। তিনি উল্লেখ করেন, মিডফিল্ডের লড়াইয়ে স্পেনের খেলোয়াড়দের তুলনায় ফরাসিরা সংখ্যার দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছিল। রদ্রি এবং ফাবিয়ান রুইজের মতো বিশ্বমানের স্প্যানিশ মিডফিল্ডারদের ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা অতিরিক্ত জায়গা ও সময় দিয়েছেন, যা তাঁদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাঠে প্রেসিংয়ের ক্ষেত্রেও ফরাসি শিবিরের সমন্বয়ের অভাব ছিল স্পষ্ট। এমবাপ্পের মতে, স্পেনের ফুটবলারদের ম্যান-টু-ম্যান মার্কিং করা এবং তাঁদের মাঠে দৌড়ের ওপর রাখা অত্যন্ত জরুরি ছিল, যেখানে ফ্রান্স পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি ফরোয়ার্ড লাইনে বল পাওয়ার পরও খেলোয়াড়দের ফার্স্ট টাচ বা প্রথম স্পর্শ মোটেও সেমিফাইনাল মানের ছিল না।

বিদায়ের বেদনায় পুড়তে থাকা এমবাপ্পে নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, দলের সবার মতো তিনিও ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছেন। দেশের মানুষকে আরও একবার বিশ্বজয়ের আনন্দে ভাসানোর এবং নতুন ইতিহাস গড়ার যে স্বপ্ন তাঁরা দেখেছিলেন, তা এভাবে ভেঙে যাবে সেটি ভাবেননি। তবে ভেঙে পড়লেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। তিনি বিশ্বাস করেন, আন্তর্জাতিক ফুটবলের শীর্ষ স্তরে টিকে থাকতে হলে ব্যর্থতা ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বিকল্প নেই। আপাতত কিছুদিন বিশ্রামে থেকে ভুলগুলো শুধরে নিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে মাঠে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ফরাসি অধিনায়ক।


এ সম্পর্কিত আরো খবর