ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গের ৫ প্রধান কারণ


  • আপলোড সময় : সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১২:৪৮ পিএম

স্কোরবোর্ডে ১-০ ব্যবধান দেখালেও পুরো ১২০ মিনিট জুড়েই মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচায় রাজত্ব করেছে স্পেন। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের ১১৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের চোখধাঁধানো গোলে ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বসেরার মুকুট মাথায় পরেছে 'লা রোহা'রা। এর আগে ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার অতিরিক্ত সময়ের গোলেই নিজেদের প্রথম শিরোপা জিতেছিল স্পেন। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাত্র দুটি শট নেওয়া আর্জেন্টিনার ভুলটা আসলে কোথায় ছিল? লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের সামনে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের এমন অসহায় আত্মসমর্পণের ৫টি মূল কারণ নিচে তুলে ধরা হলো:

১. মেসির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও নিষ্ক্রিয়তা: চলতি বিশ্বকাপে ৮টি গোল করা লিওনেল মেসিকে ফাইনালের রাতে একদম বোতলবন্দী করে রাখে স্প্যানিশ রক্ষণভাগ। ম্যাচের পুরো সময়ে আলবিসেলেস্তে অধিনায়কের প্রত্যাশিত গোলের সম্ভাবনা ছিল মাত্র ০.০৪ এবং তিনি একটিও কি-পাস বাড়াতে পারেননি। অধিনায়ককে এভাবে নিস্ক্রিয় করে দেওয়াটাই আর্জেন্টিনার আক্রমণের ধার সম্পূর্ণ কমিয়ে দেয়।

২. স্পেনের মিডফিল্ডের একচ্ছত্র আধিপত্য: পুরো টুর্নামেন্টের মতো ফাইনালেও ম্যাচের রাশ ছিল স্পেনের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে। বল দ্রুত আদান-প্রদানের টিকিটাকা কৌশলের পাশাপাশি প্রতিপক্ষের কাছ থেকে পজেশন ছিনিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও অনন্য দক্ষতা দেখায় স্প্যানিশ মিডফিল্ডাররা, যা আর্জেন্টিনাকে লম্বা সময় ধরে বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেয়নি।

৩. লিসান্দ্রো মার্তিনেজের চোট ও রক্ষণভাগের বিপর্যয়: ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর সঙ্গে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের রক্ষণ জুটি ছিল আর্জেন্টিনার আসল শক্তি। কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে চোট পেয়ে লিসান্দ্রো মাঠ ছাড়লে বাধ্য হয়ে অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দিকে মাঠে নামান স্কালোনি। রক্ষণ থেকে বল টেনে ওপরে তোলার কাজে লিসান্দ্রোর অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং আর্জেন্টিনার ডিফেন্সের ভারসাম্য পুরোপুরি নষ্ট হয়।

৪. এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ডের চরম মূল্য: দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডসহ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র ১ গোল হজম করা শক্তিশালী স্পেনের বিরুদ্ধে একজন কম নিয়ে লড়াই করা আর্জেন্টিনার জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। অতিরিক্ত সময়ে সেই ১০ জনের সুযোগটিই কাজে লাগায় স্পেন।

৫. আক্রমণভাগে চরম খরা: ফাইনালে নামার আগে ১৯টি গোল নিয়ে চলতি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিল আর্জেন্টিনাই। অথচ সেই শক্তিশালী দলটিই ফাইনালের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের পোস্টে একটি শটও নিতে পারেনি। পুরো ১২০ মিনিটের ম্যাচে আর্জেন্টিনার মোট শট ছিল মাত্র ২টি, যা তাদের আক্রমণভাগের চরম ব্যর্থতার প্রমাণ দেয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর