ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সৌদির ইউরেনিয়াম কর্মসূচিতে ট্রাম্পের সই, দ্বিপাক্ষিক পারমাণবিক চুক্তির সবুজ সংকেত


  • আপলোড সময় : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১২:৪৪ পিএম

সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঐতিহাসিক এক দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আনুমানিক তিন দশক মেয়াদি এই কৌশলগত সমঝোতার মূল উদ্দেশ্য হলো রিয়াদের পারমাণবিক শক্তিখাত বিকাশে মার্কিন প্রযুক্তি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্য ও অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এবং যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর বরাতে কর্মকর্তা পর্যায়ে এই চুক্তির তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

কয়েক বিলিয়ন ডলারের এই মেগা চুক্তির অধীনে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে দেশটির মাটিতে একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র গড়ে তুলবে মার্কিন সংস্থাগুলো। মূল উদ্দেশ্য হলো সৌদি পারমাণবিক বাজারে চীনের মতো বিদেশি প্রতিদ্বন্দ্বীদের দূরে সরিয়ে ওয়াশিংটনের নিরঙ্কুশ বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি মজবুত রাখা।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনায় রেখে চুক্তিতে যুক্ত করা হয়েছে কড়া নজরদারি ব্যবস্থা। এতে বলা হয়েছে, সৌদি পারমাণবিক কর্মসূচির সার্বিক পরিচালনা ও তদারকিতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি ভূমিকা বহাল থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি—এই নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করবে যে, বেসামরিক উদ্দেশ্যে গৃহীত প্রক্রিয়াটি যেন কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র বা সামরিক কাজে ব্যবহৃত হতে না পারে।

তবে খুব দ্রুত চুক্তিটি চূড়ান্ত পর্যালোচনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা হলে বিরোধী ও কট্টর আইনপ্রণেতাদের বাধার মুখে পড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল ও জটিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রিয়াদকে স্পর্শকাতর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা জোগানো নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক মার্কিন সিনেটর তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর