ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে ঢল, তিস্তার পানি বিপদসীমার ছুঁই ছুঁই


  • আপলোড সময় : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১২:৫৫ পিএম

ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে হু হু করে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। উজানের এই অবিরাম প্রবাহের কারণে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে তীব্র গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীপাড়ের নদীবেষ্টিত নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি ঢুকতে শুরু করায় বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার। ওই পয়েন্টে পানির স্বাভাবিক বিপদসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। ফলে বর্তমানে নদীর পানি বিপদসীমার ছুঁই ছুঁই অবস্থান অর্থাৎ মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।

হঠাৎ নদী ফুলে-ফেঁপে ওঠায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং পার্শ্ববর্তী জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকা ও চরাঞ্চলে দ্রুত পানি ঢুকতে শুরু করেছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জানান, এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে চরাঞ্চল ও লোকালয় অচিরেই প্লাবিত হয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

পরিস্থিতি সম্পর্কে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবল শঙ্কা রয়েছে। উজান থেকে ধেয়ে আসা নদীর পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর দুর্ঘটনা এড়াতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট (স্লুইস গেইট) একযোগে খোলা রাখা হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর