ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ঝালকাঠিতে অবৈধ বালু উত্তোলন, চার বাল্কহেডকে ২ লাখ টাকা জরিমানা


  • আপলোড সময় : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৫:০১ পিএম

ঝালকাঠিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে চারটি বাল্কহেড জাহাজকে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরিবেশ ও নদীর স্বাভাবিক অবস্থা রক্ষায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ঝালকাঠি সদর উপজেলার মানপাশা টেম্পু স্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মেহেদী হাসান

অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত চারটি বাল্কহেড জাহাজ শনাক্ত করা হয়। পরে আইন অনুযায়ী এসব জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জরিমানাকৃত বাল্কহেড জাহাজগুলোর মধ্যে হানিফের মালিকানাধীন দুটি, রহিমের একটি এবং তুহিনের একটি রয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মেহেদী হাসান জানান, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর আওতায় চারটি বাল্কহেড জাহাজকে মোট ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নদী ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অভিযানে সংশ্লিষ্টদের ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নদী থেকে অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলন করলে একদিকে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হয়, অন্যদিকে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও তীরবর্তী এলাকার নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। তাই অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন আরও জানিয়েছে, নদী, পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্য করে কেউ বালু উত্তোলন বা পরিবহনের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর