ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

জাতিসংঘে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান, সীমান্ত সন্ত্রাস নিয়ে তীব্র বাকযুদ্ধ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১০:৩২ এএম

জাতিসংঘের এক আন্তর্জাতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে ভারত। নয়াদিল্লির সুস্পষ্ট অভিযোগ, পাকিস্তান তাদের রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হিসেবে সীমান্ত পেরিয়ে লাগাতার সন্ত্রাসবাদকে লালন ও ব্যবহার করছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ মঞ্চে ভারত দৃঢ়তার সাথে পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের এক অবিচ্ছেদ্য এবং অবিচ্ছিন্ন অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘প্রাকৃতিক সম্পদের সুশাসন: শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির ভিত্তি’ শীর্ষক উন্মুক্ত বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কড়া মন্তব্য করেন জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত পর্বতনেনি হরিশ। নিজ বক্তব্যে তিনি পাকিস্তানের তীব্র সমালোচনা করে অভিযোগ তোলেন, প্রাকৃতিক সম্পদের সুশাসন সংক্রান্ত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটিকে পাকিস্তান সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে অপব্যবহার করেছে। তাঁর দাবি, সভার মূল আলোচ্য বিষয়বস্তু থেকে বিচ্যুত হয়ে পাকিস্তান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছে।

রাষ্ট্রদূত পর্বতনেনি হরিশ বলেন, এই আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ের বাইরে কথা বলার কোনো ইচ্ছে ভারতের ছিল না। কিন্তু পাকিস্তানের মতো দেশ আলোচনার এই মঞ্চকে ব্যবহার করে নিজেদের বিতর্কিত এজেন্ডা তুলে ধরায় ভারতকে বাধ্য হয়ে সঠিক জবাব দিতে হয়েছে। কাশ্মীর প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা ভারতের সংবিধান এবং আইনি কাঠামোর দৃষ্টিতেও এক প্রতিষ্ঠিত ও চিরন্তন বাস্তবতা। পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে এই সত্যি ও বাস্তবতাকে অস্বীকার করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

ভারতের এই জ্যেষ্ঠ কূটনীতিবিদ আরও যোগ করেন, জম্মু ও কাশ্মীর সংক্রান্ত একমাত্র অমীমাংসিত বিষয় হলো, ভারতের দাবি অনুযায়ী ওই ভূখণ্ডের যে অংশ পাকিস্তান অবৈধ ও বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে, তা অতি দ্রুত খালি করা। পাশাপাশি ঐতিহাসিক সিন্ধু পানি চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস, আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা ছাড়া কোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সঠিকভাবে কার্যকর করা সম্ভব নয়, বিশেষ করে যখন একটি দেশ সীমান্ত পেরিয়ে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসবাদকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, সন্ত্রাসমুক্ত ও আস্থাশীল পরিবেশ নিশ্চিত হওয়া ব্যতীত পাকিস্তানের সাথে যেকোনো সহযোগিতা অসম্ভব। সবশেষে ভারতের সমালোচনা না করে পাকিস্তানকে নিজেদের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সংকট ও সমস্যাগুলোর দিকে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন তিনি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর