ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১, ভাসছে ৭ লাখ মানুষ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৪:০৪ পিএম

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে বন্যা পরিস্থিতি চরম অবর্ণনীয় রূপ ধারণ করেছে। একের পর এক লোকালয় প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি লাফিয়ে বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় আসামের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে আরও ১০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এতে করে রাজ্যটিতে চলমান ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে।

বৃহস্পতিবার রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাজ্যটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আসামের নতুন পাঁচটি জেলায় গত একদিনে এই ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, রাজ্যজুড়ে এখন পর্যন্ত সাত লাখেরও বেশি মানুষ সরাসরি বন্যার করাল গ্রাসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া প্রবল পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে এখনও তিনজন ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন।

ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, "মেঘভাঙা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং আকস্মিক ঢলের কারণে আসামের এমন সব জেলাতেও ভয়াবহ পানি জমেছে, যেসব অঞ্চলে অতীতে কখনো এ ধরনের ক্ষ ক্ষয়ক্ষতি বা বন্যা দেখা যায়নি।" বিপন্ন অঞ্চলগুলোতে দুর্গত মানুষদের উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবা দল সমন্বিতভাবে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিশেষ নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি প্রান্তিক পরিবারের কাছে পর্যাপ্ত খাদ্য ও জরুরি ত্রাণ পৌঁছানো না পর্যন্ত কাজ অব্যাহত থাকবে। সার্বিক অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার, ওষুধ বিতরণ, ত্রাণ বণ্টন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করতে সব সরকারি দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ২৪ ঘণ্টা মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থাকার কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর