ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

মদ্যপান ও নেশাদ্রব্য সেবনেই মারা যান সৌদি যুবরাজ: ব্রিটিশ তদন্তে প্রকাশ


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ২৪ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১০:১৯ পিএম

সৌদি আরবের রাজ পরিবারের সদস্য যুবরাজ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুলআজিজ বিন জালাই আল সৌদকে লন্ডনের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের ঘটনায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসল কারণ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের কর্নার অফিস। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান ও বিভিন্ন নেশাদ্রব্য সেবনের ফলে সৃষ্ট তীব্র হার্ট অ্যাটাকেই ২৯ বছর বয়সী এই যুবরাজের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর লন্ডনের অভিজাত ম্যারিয়ট হোটেল কেনসিংটনের একটি ফ্ল্যাটের বাথরুম থেকে তাকে প্রথম অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই দিন হোটেলের একজন ক্লিনার যুবরাজের প্রতিদিন ৬০০ পাউন্ড ভাড়ার স্যুইট রুমে পরিচ্ছন্নতার কাজে গিয়ে কক্ষটি ভেতর থেকে লক করা দেখতে পান। পরবর্তীতে হোটেলের দায়িত্বরত কর্মীরা দ্রুত ইমার্জেন্সি সার্ভিসে খবর দিলে প্যারামেডিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায় এবং চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাত্র ২৯ বছর বয়সে এই যুবরাজের এমন রহস্যজনক মৃত্যু সেই সময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় ধরে চলা বিস্তারিত ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর লন্ডনের কর্নার অফিস যুবরাজের মৃত্যুকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি 'দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু' হিসেবে অভিহিত করেছে।

ফরেনসিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মৃত্যুর পূর্বে যুবরাজ প্রচুর পরিমাণে অ্যালকোহল ও বিপজ্জনক নেশাদ্রব্য সেবন করেছিলেন। সেবনের পর তাঁর শরীরে প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ২২২ মিলিগ্রাম টক্সিকোলজি বা বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় তাঁর শরীরে পূর্বের কোনো দীর্ঘস্থায়ী ব্যাধি পাওয়া যায়নি। মূলত মাত্রাতিরিক্ত মাদক ও মদ্যপানের বিষক্রিয়ার প্রভাবে তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় এবং অনাকাঙ্ক্ষিত এই মৃত্যু ঘটে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর