ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১ নভেম্বর কাল প্রকাশ হবে এইচএসসি রেজাল্ট, অনলাইনে জানবেন যেভাবে শনিবার বিক্ষোভ সামাল দিতে প্রস্তুত ফ্রান্সের ৭০ হাজার পুলিশ ভারতে ছয় আরোহীসহ হেলিকপ্টার নিখোঁজ, বিধ্বস্ত হওয়ার আশঙ্কা ঝুলে গেল ইসরায়েলের নির্বাচন: রাজনৈতিক সংকটের আড়ালে হাসছেন নেতানিয়াহু তাহসিফ হত্যা রহস্য: দীপের এলোমেলো বক্তব্যে ঘনীভূত হচ্ছে ধোঁয়াশা কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনকে আটক করল পুলিশ সাইকেলে ১৯১ দেশ ভ্রমণ: সোমেন দেবনাথের অনন্য কীর্তি নম্বরপ্লেটবিহীন বাইক উদ্ধার ও দীপের তথ্যে তাহসিফ মৃত্যুর তদন্তে নতুন মোড়

গাজীপুরে নকল ইলেক্ট্রিক তার তৈরির দায়ে কে কে ক্যাবলসকে ২ লাখ টাকা জরিমানা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৬:৩৮ পিএম

গাজীপুর সদর থানা এলাকায় অবৈধভাবে নামীদামি বিভিন্ন কোম্পানির নকল ইলেকট্রিক ক্যাবল (তার) উৎপাদন ও বাজারজাত করার অপরাধে ‘কে কে ক্যাবলস ইন্ডাস্ট্রিজ’কে (K K CABLES) ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‍্যাব-১-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সময়ে কারখানাটি থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ক্যাবল জব্দ করার পর তা ধ্বংস ও স্পট নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।


গতকাল সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত গাজীপুর সদর এলাকায় এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্বে ছিলেন র‍্যাব হেডকোয়ার্টার্সের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ।


অভিযান ও র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অসাধু উপায়ে অবৈধভাবে নকল ইলেকট্রিক তার তৈরি ও বাজারজাত করে আসছিল কে কে ক্যাবলস ইন্ডাস্ট্রিজ নামের প্রতিষ্ঠানটি। গোপন সূত্রে এ খবর পেয়ে র‍্যাব-১-এর একটি আভিযানিক দল ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। অভিযান পরিচালনার সময় অবৈধভাবে ক্যাবল উৎপাদন, বিক্রি এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অপরাধ হাতেনাতে প্রমাণিত হয়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানের মালিক জাহিদুল ইসলামকে (৪৬) বিএসটিআই আইন-২০১৮-এর ২৭, ২৯, ৩০ ও ৩১ ধারায় নগদ ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।


অভিযান চলাকালে ওই কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণের অবৈধ ইলেকট্রিক ক্যাবল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে জব্দ করা ক্যাবলগুলো বিনষ্ট ও ধ্বংস করা হয়। ধ্বংসকৃত এসব আলামত পরে স্পট নিলামের মাধ্যমে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। র‍্যাব-১-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জরিমানার মাধ্যমে আদায় করা নগদ অর্থ এবং নিলামে বিক্রয়লব্ধ টাকা ইতোমধ্যে নিয়মানুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।


প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র‍্যাব সামাজিক নানা অপরাধ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসবাদ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীদের রুখতে এবং জনস্বার্থে নকল পণ্যের বিরুদ্ধে বিশেষ নজরদারি বজায় রেখে আসছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর