ম্যানচেস্টার সিটির অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে বেশ কয়েকজন ফুটবলার এগিয়ে থাকলেও এই তালিকায় আর্লিং হালান্ডকে দেখছেন না কোচ এনজো মারেসকা। কারণটা বেশ অদ্ভুত ও মজার— নরওয়ের এই স্ট্রাইকার এত বেশি গোল করেন যে, অধিনায়ক বানিয়ে দিলে কাজের কথা বলার সময় নষ্ট হয়ে যাবে!
বার্নার্দো সিলভা গত মৌসুম শেষে ক্লাব ছাড়ার পর সিটির অধিনায়কত্বে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। সেই শূন্যস্থান পূরণে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার ভাবনা চলছে। তবে হালান্ডকে অধিনায়ক করার বিষয়ে মারেসকার আপত্তির পেছনে কাজ করছে তার নিজের তৈরি একটি পুরোনো নিয়ম।
লেস্টার সিটি ও চেলসিতে কোচিং করানোর সময় থেকেই মারেসকার একটি নিয়ম প্রচলিত রয়েছে। আর তা হলো— গোল হওয়ার পর অধিনায়ক উদযাপনে যোগ না দিয়ে সোজা ডাগআউটে চলে আসবেন এবং কোচের কাছ থেকে দলের জন্য পরবর্তী নির্দেশনা বুঝে নেবেন।
হালান্ডকে অধিনায়ক না করার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মারেসকা বলেন, ‘লেস্টার ও চেলসিতে আমার একটা নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল। যখনই দল গোল পেত, অধিনায়ককে উদযাপনে না গিয়ে বেঞ্চে এসে নতুন দিকনির্দেশনা নিতে হতো।’
এরপরই নরওয়েজিয়ান তারকাকে নিয়ে কৌতুক করে সিটি কোচ বলেন, ‘এখন হালান্ডকে অধিনায়ক বানালে ও তো নিজের গোলের উদযাপনই করতে পারবে না! কারণ ও তো একের পর এক গোল করে। হালান্ড অধিনায়ক হলে তো মহা বিপদে পড়তে হবে, ভেবে দেখেছেন?’
মারেসকার গণিত বেশ স্পষ্ট। তার মতে, গোলের পর খেলোয়াড়দের উল্লাসের ওই দুই-তিন মিনিট কোচিং স্টাফদের জন্য দারুণ এক সুবর্ণ সুযোগ। ওই সময় কৌশলগত টুকটাক ভুলত্রুটি শুধরে নেওয়া যায়। সিটির কোচ আরও নিশ্চিত করেন, 'দুই-তিন মিনিট সময় মনে হলেও ওর মধ্যে অনেক নির্দেশনা দেওয়া সম্ভব। এই মুহূর্তে আমাদের দলে ৩-৪ জন অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের মতো যোগ্য খেলোয়াড় আছে।'