ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

গারো পাহাড়ে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত


  • আপলোড সময় : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৬:১০ পিএম

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় পালিত হয়েছে বিশ্ব হাতি দিবস। এ উপলক্ষে বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে উপজেলার সীমান্তবর্তী বালিজুরি অফিসপাড়া এলাকায় ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরি ফরেস্ট রেঞ্জের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক তানভীর ইসলাম ইমন।

এ সময় বালিজুরি রেঞ্জের নবাগত রেঞ্জ কর্মকর্তা রাতুল সাহা রানা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ডুমুরতলা ফরেস্ট কর্মকর্তা রকিবুল হাসান, বালিজুরি সদর বিট কর্মকর্তা মাজহারুল হক, রানীশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সোহাগ, ফরেস্ট কর্মকর্তা আব্দুর রেজ্জাক, হাসেম চৌধুরী, সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী মুগনিউর রহমান মনি, রানীশিমুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাকিল তালুকদার, শ্রীবরদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তারেক মো. আব্দুল্লাহ রানা এবং সিংগাবরুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান কালু উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বাগান উপকারভোগী, বন বিভাগের স্টাফ, ইআরটি দলের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, পাহাড়ি অঞ্চলের গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, হাতির আবাসস্থল রক্ষা ও সংকট দূর করা, হাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ শিকার বন্ধ এবং বনাঞ্চল ধ্বংসের হাত থেকে হাতির বিচরণভূমি রক্ষা করা জরুরি। একই সঙ্গে মানুষ ও হাতির মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, হাতি বনের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় হাতির ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু বনাঞ্চল ধ্বংস, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া এবং হাতির চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে হাতির নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়া বলেন, বন ধ্বংস ও নগরায়ণের কারণে হাতির খাবার এবং চলাচলের পথ ছোট হয়ে আসছে। ফলে হাতি প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসে। এতে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাত বাড়ছে।

তিনি বলেন, হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের পথ রক্ষা করতে বন বিভাগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও সচেতন হতে হবে। মানুষ ও হাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশ্ব হাতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে হাতি সংরক্ষণ, বন রক্ষা এবং মানুষ ও হাতির সংঘাত কমাতে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর