ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

কুমিল্লায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছর করে কারাদণ্ড


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৫:৪০ পিএম

মোঃ বাকি অনীক, কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির দুই সদস্যকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় খালেদা আক্তার রানী নামে এক নারী আসামিকে আট বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬) আদালতের বিচারক খাইরুন নেছা এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৪/৬ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর ২১। এর জিআর মামলা নম্বর ১০৬/০৬ এবং এসটি মামলা নম্বর ১৩৭/০৬।

রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নওগাঁ জেলার বাসিন্দা মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং গাজীপুরের শ্রীপুর থানার চকপাড়া এলাকার মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসান। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানী।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বিভিন্ন সময়ে বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি, আসামিদের জবানবন্দি এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করেন।

এ ছাড়া জব্দ তালিকা অনুযায়ী বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারের বিষয়টিও আদালতের বিবেচনায় আসে। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করেন।

পরে রায় ঘোষণার সময় মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ দুরুল হুদাকে প্রত্যেককে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, খালেদা আক্তার রানীকে আট বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার সাজা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আদালত তার তিন সন্তান থাকা, স্বামী কারাগারে থাকা এবং তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকার বিষয় বিবেচনায় নিয়েছেন।

আদালত রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানামূলে দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় পুলিশ পাহারায় প্রিজন ভ্যানযোগে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

জানা গেছে, রায় ঘোষণার জন্য দণ্ডপ্রাপ্তদের দুপুর ১টা ২০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে তাদের কারাগারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে দুপুর ২টা ৪ মিনিটে তাদের কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে দেওয়া হয়।

আদালতের রায়ে দীর্ঘদিনের পুরোনো এ মামলার বিচারিক কার্যক্রমের সমাপ্তি হলো। সাজাপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানোর পর আদালতের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও শেষ হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর