পটুয়াখালী প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মো. মহিউদ্দিনের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন পরিচালনা করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অন্যদিকে একই দিন মানববন্ধনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এর পেছনে কুচক্রী মহলের সুগভীর ‘ষড়যন্ত্র’ রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষক।
বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন চলাকালে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা ও কৃষক নেতা জায়েদ ইকবাল খানসহ অপরাপর নেতারা। সমাবেশ থেকে বক্তারা প্রভাষক মো. মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগ তুলে ধরে অতিদ্রুত তাকে পদ থেকে অপসারণের জোর দাবি জানান।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষ করার পর আন্দোলনকারীরা দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এদিকে মানববন্ধনে উত্থাপিত যাবতীয় অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার বিকেল ৩টায় নিজ বাসভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেন প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে মানববন্ধনের নামে পূর্বশত্রুতার জের ধরে এই সাজানো অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করেন, ওই প্রতিপক্ষ মহলটি তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। প্রকাশিত এসব অসত্য অভিযোগের কোনো প্রকার আইনি বা দাপ্তরিক ভিত্তি নেই বলেও তিনি জোর দাবি জানান।
প্রভাষক মহিউদ্দিন আরও উল্লেখ করেন, সম্পূর্ণ পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে এসব নোংরা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি গোটা বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য ঘটনা উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান।