মাদারীপর প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুরের শিবচরে শাম্পা খাতুন (২৮) নামের এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফারুক মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাম্পাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং তাঁর এক বছর বয়সী শিশু সন্তান আবিরকে আড়িয়াল খাঁ নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ফারুক।
নিহত শাম্পা খাতুন নাটোরের লালপুর উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর স্বামী মাদারীপুরের এক মামলায় কারাগারে থাকার সুযোগে আদালতের মাধ্যমে ফারুকের সঙ্গে পরিচয় হয়। গত ১৯ আগস্ট (বুধবার) শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি এলাকার এক জঙ্গল থেকে শাম্পার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন নিহতের বাবা শিবচর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজৈর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব ও পুলিশের যৌথ দল ফারুককে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ফারুকের শিবচরের বাসা থেকে নিহতের ব্যবহৃত সোনার নাকফুল, রুপার চেইন ও ভুক্তভোগীর ওড়নার পোড়া অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পূর্বেও গাড়ি চুরির একাধিক মামলা রয়েছে।
মাদারীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সালাহ উদ্দিন কাদের জানান, আসামি স্বীকারোক্তি দিয়েছে। নিহতের এক বছরের নিষ্পাপ শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের সহায়তা নিয়ে আড়িয়াল খাঁ নদীতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।