ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং

দুর্যোগ না কাটতেই নেপালে ফের ভয়াবহ বন্যার চরম সতর্কবার্তা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৮:৫৮ এএম

নেপালের রসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই নতুন করে আরেকটি বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে সংশ্লিষ্ট নদীর উজানে এখনও একটি বিশাল প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা বা ব্লকেজ আটকে রয়েছে। এই বিশাল প্রতিবন্ধকতাটি ভেঙে পড়লে যেকোনো মুহূর্তে দ্বিতীয় দফায় প্রলয়ংকরী বন্যা আঘাত হানতে পারে।


গত বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপালে হঠাৎ করেই প্রলয়ংকরী বন্যার সূত্রপাত ঘটে। এর প্রভাবে ভোতে কোশি এবং ত্রিশূলি নদীর পানির স্রোত বেয়ে প্রবল বেগে কাদা, পানি ও বিশালাকার পাথর নিচে ধেয়ে আসে। চোখের পলকে মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে নদী দুটির পানির স্তর বিপজ্জনক সীমা অতিক্রম করে এবং চারপাশের লোকালয় প্লাবিত করে ফেলে।


হিমালয় অঞ্চলের পরিবেশ ও ভয়াবহ দুর্যোগ ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (ইসিমোড) এই সম্ভাব্য নতুন বিপর্যয়ের বিষয়ে জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নদীর উজানে আটকে থাকা ওই ব্লকেজটি যদি দ্রুত সময় অপসারণ বা নিয়ন্ত্রণের আওতায় না আনা যায়, তবে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।


উল্লেখ্য, নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুভিত্তিক এই আন্তঃসরকারি সংস্থা ‘ইসিমোড’ ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, চীন, ভুটান, পাকিস্তান, মিয়ানমার এবং আফগানিস্তানসহ পুরো হিন্দু কুশ হিমালয় অঞ্চলের আটটি দেশের পাহাড়ি পরিবেশ, হিমবাহ ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে কাজ করা একটি অগ্রণী বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান।


হঠাৎ করে সংঘটিত এমন আকস্মিক ও ভয়াবহ বন্যার মূল কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন পরিবেশ বিজ্ঞানী ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে উজানের ব্লকেজ থেকে ভবিষ্যতে নতুন করে কী ধরনের বিপর্যয় ধেয়ে আসতে পারে, তা দ্রুত মূল্যায়নের চেষ্টা চলছে, যেন লোকক্ষয় ও প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়। (তথ্যসূত্র: এনডিটিভি)


এ সম্পর্কিত আরো খবর