ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি: ২ ঘণ্টা আগেই খুলল ১৬ জলকপাট


  • আপলোড সময় : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১০:০২ এএম

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে প্রতিটি কপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে কর্ণফুলী নদীতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেলে হ্রদের পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় রাত ১০টার নির্ধারিত সময়ের আগেই কপাটগুলো খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


জলকপাট খোলার মুহূর্তে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল), যা দুপুরে ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট। উল্লেখ্য, এই হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। এর আগে বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে রাত ১০টায় পানি ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল।


বর্তমানে ১৬টি জলকপাট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি এই মৌসুমে দ্বিতীয় দফায় জলকপাট খোলার ঘটনা। এর আগে গত মাসেও হ্রদের পানির সমতল বৃদ্ধি পাওয়ায় একইভাবে গেট খুলে অতিরিক্ত পানি ছাড়া হয়েছিল। হ্রদের পানির সমতল এবং উজান থেকে আসা ঢল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পানি ছাড়ার পরিমাণ পুনর্বিন্যাস করা হতে পারে। কাপ্তাই, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর