ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬৬ কেন্দ্রে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে ধানের শীষ টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব ঐক্য সরকার নাকি আবার নির্বাচন? ইসরায়েলের সামনে এখন ৩টি পথ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের নতুন সভাপতি মনজুর মোরশেদ মামুন আসামি হাজিরা ডিজিটাল করতে পারলে যুগান্তকারী পরিবর্তন হবে: আইনমন্ত্রী ময়নাতদন্ত ছাড়া তাহসিফের মৃত্যু নিয়ে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটি সুইসাইড নয়, পরিকল্পিত হত্যাঃ পাইলট তাহসিফের বাবার বিস্ফোরক তথ্য পুলিশ বাহিনীকে দক্ষ ও আধুনিক করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আরও ৩০০ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা

চকলেট দেওয়ার ছলে কর্মীদের আইফোন উপহার দিলেন বস


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৫:৪৮ পিএম

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে কর্মরত কর্মীদের খুশি রাখতে এক অভিনব উপহারের আয়োজন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এক নারী ব্যবসায়ী। কর্মীদের সঙ্গে ছোট্ট একটি মিষ্টি প্র্যাঙ্ক বা মজা করার উদ্দেশ্যে প্যাকেট বিতরণ শুরু করেছিলেন তিনি, কিন্তু সেই প্যাকেট খুলতেই কর্মীদের চক্ষু চড়কগাছ! কারো হাতে উঠল নতুন মডেলের আইফোন, আবার কারো হাতে বড় চকলেট বার। তবে শেষ পর্যন্ত চকলেট পাওয়া কর্মীদেরও খালি হাতে ফেরাননি, তাদের প্রত্যেককেও নতুন আইফোন উপহার দিয়ে আনন্দিত করেছেন ওই উদ্যোক্তা। বর্তমানে এই ব্যতিক্রমী উপহার বিতরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়েছে।


দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড স্টার হোল্ডিং’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিনা নিশাদ এবং তার স্বামী তথা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান নিশাদ হুসাইন যৌথভাবে জনবল সরবরাহ সেবা পরিচালনা করে আসছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের সেরা পারফর্ম করা ১২ জন কর্মীর হাতে উপহারের প্যাকেট তুলে দেওয়ার ওই দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করা হয়। প্যাকেটগুলোর অর্ধেকের মধ্যে ছিল নতুন আইফোন এবং বাকি অর্ধেকের মধ্যে বড় চকলেট বার। উপহার খোলার পর হাসিনাও সেখানে উপস্থিত হন। যারা প্রথমে চকলেট পেয়েছিলেন, তাদের হতাশ না করে পরবর্তীতে তাদের প্রত্যেকের হাতেও নতুন আইফোন তুলে দেওয়া হয়। হাসিনা নিশাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কর্মীরাই আমাদের মূল শক্তি। তাদের ছাড়া কোম্পানির কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই প্রথম দিন থেকেই কর্মীদের পেছনে বিনিয়োগ ও তাদের ভালো রাখাকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি।’


কর্মীদের ধরে রাখতে এবং তাদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এই দম্পতির অভিনব উদ্যোগ এটিই প্রথম নয়। এর আগের বছরগুলোতেও শ্রমিক দিবস বা বিশেষ উপলক্ষে কর্মীদের জন্য পাঁচ তারকা হোটেলে থাকা, বিলাসবহুল গাড়িতে ভ্রমণ, ইয়ট পার্টি এবং বিশেষ সিনেমা প্রদর্শনীসহ নানা চোখধাঁধানো আয়োজন করা হয়েছিল। এছাড়া পুরো কোম্পানিকে চারটি দলে বিভক্ত করে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং অনুশীলনের জন্য মাসিক বাজেট বরাদ্দ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। ফলস্বরূপ, এই প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মী ধরে রাখার হার বেশ ঈর্ষণীয়। ২০০৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রায় বহু কর্মী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। হাসিনা ও নিশাদের এই মানববান্ধব নেতৃত্ব প্রমাণ করে যে, কর্মীদের উপযুক্ত মূল্যায়ন করলে প্রতিষ্ঠান নিজেই সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে যায়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর