ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

শরিয়াহভিত্তিক ক্রেডিট কার্ডে সুদ নিষিদ্ধ: মানতে হবে নতুন নীতিমালা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৮ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৩:৪৬ পিএম

শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর জন্য একগুচ্ছ কঠোর ও সুনির্দিষ্ট নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রচলিত সুদমুক্ত আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষে কার্ডের পণ্য, চুক্তি, লেনদেন, ফি-চার্জ এবং সার্বিক পরিচালন পদ্ধতি—সবক্ষেত্রেই কঠোরভাবে ইসলামী শরিয়াহর নীতিমালা অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নতুন নির্দেশনার ফলে প্রচলিত ক্রেডিট কার্ড ব্যবস্থার সঙ্গে ইসলামী কার্ডের কার্যপদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, প্রচলিত ক্রেডিট কার্ডের মতো সুদভিত্তিক কোনো ব্যবস্থা ইসলামী ক্রেডিট কার্ডে অনুসরণ করা যাবে না। এর পরিবর্তে কার্ড পরিচালনায় ‘কর্জ’ (সুদমুক্ত ঋণ) এবং ‘উজরাহ’ (সেবা মূল্য) নীতি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এছাড়া শরিয়াহসম্মত নয়—এমন কোনো পণ্য বা সেবার লেনদেনেও এই কার্ড ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে মদ, জুয়া, তামাক এবং শরিয়াহ অনুযায়ী অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য বা সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে ইসলামী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


গ্রাহকদের আমানতের সুরক্ষা ও শরিয়াহর সঠিক প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কার্ড পরিচালনার জন্য ব্যাংকগুলো কোনোভাবেই গ্রাহকের মুদারাবা বা বিনিয়োগকারী গ্রাহকদের সঞ্চিত আমানতের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না। পাশাপাশি নগদ টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে নগদ অর্থ উত্তোলনের সময় নির্দিষ্ট অঙ্কের সেবা ফি বা চার্জ নেওয়া গেলেও উত্তোলিত অর্থের ওপর শতাংশের ভিত্তিতে কোনো ধরনের ফি বা অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করা যাবে না।


গ্রাহক স্বার্থ ও স্বচ্ছতা রক্ষায় নির্দেশনায় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। কার্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ধরনের ফি বা চার্জ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা কার্যকর করার কমপক্ষে ৩০ দিন আগে গ্রাহককে লিখিত বা ডিজিটাল মাধ্যমে অবহিত করতে হবে। এছাড়া ইসলামী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটা, নগদ অর্থ উত্তোলন কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত অর্থ ‘হাসানা’ বা সুদমুক্ত ঋণ হিসেবে বিবেচিত হবে। ফলে এ ধরনের ঋণের বিপরীতে গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো অর্থ, সুদ বা বাড়তি সুবিধা আদায়ের কোনো সুযোগ থাকবে না।


এ সম্পর্কিত আরো খবর