ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৮ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৬:৫০ পিএম

২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন কানাডার বিশিষ্ট লেখক অ্যান কারসন। ধ্রুপদি সাহিত্য-ঐতিহ্যের সঙ্গে সৃজনশীল সংলাপের মাধ্যমে সমকালীন সাহিত্যে নতুন ধরনের প্রকাশভঙ্গি ও রূপ সৃষ্টির স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ বছরের নোবেল দেওয়া হয়েছে।


নোবেল কমিটি জানিয়েছে, অ্যান কারসনের সাহিত্যকর্ম সাহসী, ব্যতিক্রমী এবং নতুন চিন্তায় সমৃদ্ধ। তার লেখায় শব্দের উৎপত্তি ও ব্যুৎপত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে প্রাচীন গ্রিক ভাষা থেকে তার অনুবাদগুলোও স্বতন্ত্র সাহিত্যকর্ম হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।


১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্মগ্রহণ করেন অ্যান কারসন। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে কবিতা রচনার পাশাপাশি অনুবাদ ও শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা এবং প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য নিয়ে গবেষণায়ও তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।


অ্যান কারসন দীর্ঘদিন ধরে প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য ও ধ্রুপদি সাহিত্য-ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করেছেন। তার লেখায় প্রাচীন সাহিত্য ও আধুনিক চিন্তার মধ্যে এক ধরনের সৃজনশীল সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, যা তাকে সমকালীন সাহিত্যে স্বতন্ত্র অবস্থান এনে দিয়েছে।


১৯৮১ সালে তিনি ক্লাসিকস বিষয়ে তার ডক্টরেট গবেষণাপত্র ‘ওডি এৎ আমো, এরগো সুম’ প্রকাশ করেন। প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য ও ভাষার প্রতি তার গভীর আগ্রহ পরবর্তী সাহিত্যকর্মেও নানা মাত্রায় প্রতিফলিত হয়েছে।


নোবেল কমিটির মূল্যায়নে, কারসনের সাহিত্যকর্ম শুধু প্রচলিত ধারার অনুসরণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ধ্রুপদি সাহিত্য থেকে উপাদান গ্রহণ করে তিনি তা সমকালীন চিন্তা ও সৃজনশীলতার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তার এই স্বতন্ত্র সাহিত্যভঙ্গিই এবারের পুরস্কারের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।


বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের সঙ্গে অ্যান কারসন পাবেন ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। এর মূল্য প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার বা ৯ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড।


নোবেল পুরস্কার সাধারণত কোনো লেখকের দীর্ঘ সাহিত্যজীবন ও সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের মূল্যায়নের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। ২০২৬ সালে সাহিত্যে অ্যান কারসনের এই অর্জনের মধ্য দিয়ে কানাডার সাহিত্যও আন্তর্জাতিকভাবে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর