ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ০৯ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ২:৫০ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের সুযোগ সীমিত করার নীতি আরও জোরদার করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে মাইক্রোসফট ও অ্যাডোবিসহ বড় আটটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রিন কার্ড কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির শীর্ষস্থানীয় নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেও নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন প্রশাসন।


বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নেওয়া এই কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের অভিবাসন কর্মসূচি এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি আরও বাড়াল ট্রাম্প প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ এবং মার্কিন নাগরিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষিত রাখাই এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশে জন্ম নেওয়া মানুষের সংখ্যা কমানো এবং দেশটিতে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সীমিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়ে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবারের এই সিদ্ধান্ত প্রযুক্তি খাতে কর্মরত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে অভিযোগ তুলে বলেছেন, দেশের বড় কোনো প্রতিষ্ঠানই মাইক্রোসফটের চেয়ে এই অভিবাসন ব্যবস্থার বেশি অপব্যবহার করেনি। ভ্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মাইক্রোসফট প্রায় ছয় হাজার মার্কিন কর্মীকে ছাঁটাই করলেও একই সময়ে এইচ-১বি অস্থায়ী কর্মী ভিসার আওতায় ছয় হাজার তিনশ কর্মী নিয়োগ দিয়েছে এবং প্রায় তিন হাজার গ্রিন কার্ডের সুবিধা গ্রহণ করেছে। যদিও ভ্যান্সের এসব বক্তব্যের বিষয়ে মাইক্রোসফটের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর অভিবাসন নীতির ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই হোয়াইট হাউসে সম্পূর্ণ বিপরীত এক চিত্র দেখা গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রযুক্তি খাতের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ধনকুবেরকে সম্মানিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই তালিকায় ছিলেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সত্য নাদেলা ও টেসলাপ্রধান ইলন মাস্ক, যারা উভয়েই একসময় এইচ-১বি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন এবং যাঁদের জন্মও দেশের বাইরে। অভিবাসন নীতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এমন কড়াকড়ি এবং প্রযুক্তি খাতে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর