ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সিরাজগঞ্জে সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ চাষ


তাড়াশের কৃষক কামরুল ইসলাম বাণিজ্যিক ভা‌বে শুরু ক‌রে‌ছেন সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ। ছবি: আকাশ জমিন

  • আপলোড সময় : সোমবার ১২ মে, ২০২৫ সময় : ৩:৪৭ পিএম

ঝন্টু, সিরাজগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের কৃষক কামরুল ইসলাম বাণিজ্যিক ভা‌বে শুরু ক‌রে‌ছেন সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ। বাংলাদেশে অ‌নেক আগে থেকেই বিদেশি বি‌ভিন্ন ফ‌লের চাষ হ‌য়ে আস‌ছে। সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন ফল‌টি মুল‌তো মরু অঞ্চলের সুস্বাদু ও মিষ্টি জাতের এক‌টি ফল। এটি দে‌শে অ‌নেক আগেই চাষবাদ শুরু হ‌লেও সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ শুরু হয়। আর এই কাজ‌টি করেছেন তাড়া‌শের কৃষক কামরুল ইসলাম (৩৬)। সাম্মাম মুল‌তো গ্রীষ্মকালীন ফল ত‌বে কামরুল ইসলাম আগাম চাষ ক‌রে‌ছেন দাম ভালো পাওয়ার আশায়। যে‌হেতু প্রথম ও পরীক্ষামুলক চাষ তাই ১৫ কাটা জমি দি‌য়ে চাষ শুরু করছেন তিনি। ছোট কুমড়ার আকারের সাম্মাম ফল দেখতে বাঙ্গির মতো ও এর স্বাদও বাঙ্গির মতো। দেশে ফলটি সাম্মাম হিসেবে পরিচিতি পেলেও, অনেকে এটাকে হানিডিউ মেলন নামে চেনেন। আগে দেশে এই ফ‌লের এর খুব একটা চাষ না হ‌লেও বর্তমানে অনেক কৃষক বিদেশি এই ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
তাড়াশ উপজেলার সগুনা  ইউনিয়নের সগুনা গ্রামে কামরুল ইসলামের সাম্মামখেতে সরেজমিনে দেখা যায়, সাম্মাম গাছে শোভা পা‌চ্ছে গোলাকৃতির ফল। প্রতিটি গাছেই দুই থেকে তিনটি ফল ধরেছে।
কামরুল ইসলাম তাঁর খেত ঘুরিয়ে দেখান এবং এই ফল চা‌ষে আগ্রহী হওয়ার গল্প শোনান। তি‌নি নিয়‌মিতই সব‌জি চাষ ক‌রেন, বাড়তি আয়ের জন্য এ বছর সবজি চাষের পাশাপাশি সাম্মামও চাষ করেছেন। মরুভূমির ফল চাষের বিষয়ে তি‌নি জানান, ‘সবজির পাশাপাশি নতুন কিছু একটা চাষ করার জন্য খুঁজছিলাম। ইউটিউব ঘেঁটে সাম্মাম সম্পর্কে জানতে পারি। বিষয়টি নিয়ে পরিচিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলি। ঢাকার পরিচিত সবজি ও ফল আমদানি–রপ্তানিকারক এক ব্যবসায়ী সাম্মাম চাষে উৎসাহ দেন। ওই ব্যবসায়ী ইন্দোনেশিয়া থেকে জাম্বু জাতের সাম্মাম ফলের বীজও সংগ্রহ করে দেন।"
এই ফল চারা রোপণের দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যেই পাকে। আমার ক্ষে‌তের প্রতিটি গাছে দুই-তিনটি করে ফল ধরেছে। প্রতিটি ফলের ওজন দুই থেকে আড়াই কেজি হয়েছে। তাড়াশ উপজেলা প্রথম চাষি হিসেবে মৌসুম শুরুর আগেই আমি এই ফ‌লের চাষ করেছি। প্রত‌্যাশা আগাম ফল পে‌লে বাজারদর ভালো পাওয়া যাবে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বেলে বা বেলে দোআঁশ মাটিতে সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষ করলে ভালো ফলন হবে। এই ফলের চাষে লোকসানের আশঙ্কা নেই। সাম্মাম বা হা‌নি‌ডিউ মেলন চাষে কেউ আগ্রহী হলে কৃষি অধিদপ্তর থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর